×

ইনসমনিয়া কি?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের দিনের তিন ভাগের দুই ভাগ কাজকর্মের জন্য, বাকি একভাগ ঘুমের জন্য বরাদ্দ। ওই একভাগের উপরে নির্ভর করছে বাকি দুই ভাগ। কারণ ঘুম মস্তিষ্ক ও শরীরকে পূর্ণ বিশ্রাম দেয়। দিনে ষোলো ঘণ্টা ঠিকমতো পরিশ্রম করার জন্য আট ঘণ্টার ঘুম যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, অনিদ্রার মতো কষ্ট যাদের আছে, তারাই বুঝতে পারেন। অনিদ্রা মানে ঘুম না আসা, ডাক্তারি পরিভাষায় একে বলে ইনসমনিয়া।

কেন হয় ইনসমনিয়া : আমাদের ঘুম পায়, কারণ ক্রমাগত কাজ করার ফলে আমাদের শরীরের এটিপি (অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট) অর্থাৎ শক্তি খরচ হয়। শরীর এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য একটু সময় নেয়। এই সময়টাই হল ঘুমের সময়। তখনই শরীর এটিপি বা শক্তির পুনরুৎপাদন করে নেয়। প্রকৃতি আমাদের মস্তিষ্ক থেকে একটি রাসায়নিকের ক্ষরণ ঘটায়, যার নাম মেলাটোনিন। এই মেলাটোনিন শরীরে ঘুমের সাইকেল বা চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই মেলাটোনিন সব সময়ে তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু আলোর উপস্থিতিতে নষ্ট হয়ে যায়। তাই উজ্জ্বল আলোয় ঘুম পায় না। এখন অনেকেই দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ বা মোবাইলে কাজ করেন, চোখের সামনে উজ্জ্বল আলো তাঁদের মেলাটোনিন নষ্ট করে ঘুমের সমস্যা তৈরি করে। ফলে অল্টার্ড স্লিপ হ্যাবিট দেখা যায়। তিনি ভোর চারটে অবধি জেগে রইলেন, তার পর দুপুর এগারোটা অবধি ঘুমোলেন। এ সব ক্ষেত্রে ঘুমের সাইকেল উল্টে যায়।

অনিদ্রার লক্ষণ : রাতে ঘুম না হওয়া এই রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে এর সঙ্গে সঙ্গে যে সব উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সেগুলো হল, দিনের বেলা ঘুম ঘুম ভাব কিন্তু ঘুম না আসা, সর্বক্ষণ গভীর ক্লান্তি, খারাপ মেজাজ, কাজে মন না বসা, ইত্যাদি। এসব উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। তবে দৈনিক কতটা ঘুম প্রয়োজন, তার মাপ কিন্তু বয়স অনুযায়ী এক রকম নয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এই মেলাটোনিন সংশ্লেষ ক্রমশ কমে আসতে থাকে। জন্মের পর এক মাস পর্যন্ত যেমন বাচ্চারা তেইশ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমায়, কারণ তখন মেলাটোনিন সংশ্লেষ সবচেয়ে বেশি। একজন স্কুলে পড়া বাচ্চার (ক্লাস এইট পর্যন্ত) দিনে ঘুম দরকার অন্তত নয় ঘণ্টা। বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সেটা গিয়ে দাঁড়ায় পাঁচ ঘণ্টায়, কারণ মেলাটোনিন সংশ্লেষ তখন সবচেয়ে কম। যার যতটা ঘুম প্রয়োজন, তার কোটা পূরণ না হওয়াই অনিদ্রা রোগের লক্ষণ।

প্রতিরোধের কিছু সাধারণ উপায় :

 • ঘুমাতে যাওয়ার আগে অনেকক্ষণ ধরে মোবাইল, কম্পিউটার ইত্যাদিতে কাজ করবেন না

• ক্যাফেইন, নিকোটিন, অ্যালকোহল পরিত্যাগ করুন

• রাতে ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত তিন-চার ঘণ্টা আগে হালকা ব্যায়াম করলে সুফল পাবেন

• পরিমিত ডিনার করুন এবং বেশি রাত করে খাবেন না। পেট ভরে বা দেরিতে খেলে অনেক সময়ই ঘুমের অসুবিধা হয়

• শোবার ঘর যেন যথাসম্ভব আরামপ্রদ হয়। খুব বেশি গরম অথবা ঠান্ডা যেন না হয়। চোখ এবং কানের গার্ড পরে ঘুমোনোর অভ্যেসও করা যেতে পারে

• যেভাবে শুতে আপনি সবচেয়ে আরাম বোধ করছেন, সেভাবেই শোয়া উচিত। ঘুমের আগে বই পড়া, মৃদু লয়ের গান শোনা অথবা ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করার অভ্যেস তৈরি করতে পারেন

• ওজনের উপরে নিয়ন্ত্রণ রাখুন। উচ্চতা অনুযায়ী ওজন যেন ঠিক থাকে।

কী করণীয় : প্রথমেই মনে রাখতে হবে, নিজে নিজে বা অন্য কারও কথা শুনে ঘুমের ওষুধ কিনে খাবেন না। ডাক্তার দেখিয়ে নির্দিষ্ট মাত্রার ঘুমের ওষুধই খাওয়া উচিত। কিভাবে সে ওষুধ ধীরে ধীরে বন্ধ হবে, সে ব্যাপারেও চিকিৎসকের মতামতই শেষ কথা। ঘুম না এলে পড়তে বসতে হবে। এক্ষেত্রে গল্পের বই নয়, প্রত্যেককে তার মতো করে একটু কঠিন বিষয় নিয়ে পড়তে হবে। পড়ার মধ্য দিয়ে মস্তিষ্কের এটিপি বেশি পরিমাণে খরচ হবে, মস্তিষ্ক ক্লান্ত হবে এবং ঘুম এসে যাবে। কিন্তু ক্রনিক ইনসমনিয়া, যেমন সপ্তাহের অর্ধেক রাতেই ঘুম আসছে না, এ রকম তিন মাস ধরে চলছে, তখন চিকিৎসার প্রয়োজন।

স্বাভাবিক ঘুমের অভ্যেস ফিরে পেতে অকারণ দুশ্চিন্তা এবং যে কোনও ধরনের নেশা থেকে দূরে থাকুন। সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপনের মধ্যেই রয়েছে পর্যাপ্ত ঘুমের চাবিকাঠি।

সা‌বেক আই‌জি‌পি হান্নান খানের মৃত্যুতে আইজিপি’র শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক ও সাবেক আই‌জি‌পি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার)।

আইজিপি এক শোকবার্তায় বলেন, জনাব আব্দুল হান্নান খান ছিলেন একজন সাহসী ও নীতিবান ব্যক্তিত্ব। তিনি অত্যন্ত যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাহসীকতার সাথে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলা, জেল হত্যা মামলা এবং একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার করেছেন। এক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য তিনি আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। একজন দক্ষ পুলিশ অফিসার হিসেবেও জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় তিনি ছিলেন ঋদ্ধ ।

আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শিশুপুত্র হত্যার দায়ে পিতার মৃত্যুদণ্ড

রাজন্য রুহানি, জামালপুর: শিশুপুত্রকে ঢেঁকিতে আছাড় দিয়ে মেরে ফেলার দায়ে পিতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার (২৯ নভেম্বর) জামালপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার দুধনই গাজারি জুড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র মো. মোস্তফা (৩৭)।

জামালপুর জজ আদালতের পিপি এডভোকেট নির্মল কান্তি ভদ্র জানান, বকশীগঞ্জ উপজেলার নতুন টুপকারচর গ্রামের উজির আলীর মেয়ে রোজিনা বেগমের সাথে মো. মোস্তফার বিয়ে হয়। তারা দুজনই ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। ২০১০ সালে রোজিনা সন্তানসম্ভবা হলে চাকরি ছেড়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনই রোজিনার বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন।

ঘরজামাই হয়ে দিনমজুরি করে সংসার চালাতেন মোস্তফা। তাদের ঘরে জন্ম নেয় আশিক নামের এক পুত্র সন্তান। এরমধ্যেই ২০১১ সালের ২০ মে মোবাইল কেনা নিয়ে স্ত্রীর সাথে মোস্তফার ঝগড়া হয়। প্রচণ্ড রাগে তিনি ৫ মাসের পুত্র সন্তান আশিককে দুই পা ধরে ঢেঁকির সাথে আছাড় দেন। ঘটনাস্থলেই মারা যায় আশিক।

শিশুপুত্রকে মেরে ফেলায় রোজিনা বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ৩০২ ধারায় মোস্তফাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন।

রায় প্রদানের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. মোস্তফা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়নবান্ধব সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির দুঃশাসন এখনও মানুষকে তাড়া করে। তাই তারা জনমানুষের আস্থা হারিয়েছে।  বিএনপির গণতন্ত্র হচ্ছে– ‘মুখে শেখ ফরিদ আর বগলে ইট’।

ওবায়দুল কাদের রোববার সকালে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়নবান্ধব সরকার। দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে নিচ্ছে বলেই জনগণ বারবার আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করছে।

‘সরকার শাসন দীর্ঘায়িত করতে চায়’- বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে। সুতরাং সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে পরবর্তী নির্বাচন হবে। তাই শাসন দীর্ঘায়িত করার কোনো ইচ্ছা এ সরকারের নেই, সুযোগও নেই। বিএনপি মহাসচিব দেশের মানুষের স্বস্তি দেখতে পান না, দেখতে পান অপরাধীদের ভীতসন্ত্রস্ত মুখচ্ছবি। 

আওয়ামী লীগ কোনো খেলা বা ষড়যন্ত্রে বিশ্বাসী নয়, দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগই বারবার ষড়যন্ত্রের শিকার। বিএনপিই পর্দার আড়ালে ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী। তারাই ক্ষমতার জন্য অপকৌশল ও দেশ-বিদেশে বিভিন্ন খেলা খেলছে। 

গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আগে বিএনপিকে নিজ দলের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বক্তব্য-বিবৃতি আর গুজব অপপ্রচার চালিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না।

দলীয় নেতাদের দলাদলি না করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকে বলেন, নিজস্ব বলয় তৈরি করতে মাই ম্যান দিয়ে কমিটি গঠন করা যাবে না। যেসব জেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়নি এবং কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, সেসব জেলায় দ্রুত কাউন্সিল করার নির্দেশনা দিয়েছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।  জেলা সম্মেলনের আগে উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে। তিনি নেতাকর্মীদের কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাউন্সিল করার নির্দেশ দেন।

চিহ্নিত অপরাধী, চাঁদাবাজ, দখলদার ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর কাউকে দলে নেয়া যাবে না বলে আবারও সতর্ক করে দেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, ত্যাগী নেতাকর্মীদের জন্য রাজনীতিতে টিকে থাকার এবং এগিয়ে যাওয়ার পথ সৃষ্টি করে দিতে হবে। 

বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার আজহারুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার ও নাট্যকার আজহারুল ইসলামের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী ৩০ নভেম্বর সোমবার । ১৯৮৮ সালের এই দিনে তিন হৃদরোগে মারা যান।
এ উপলক্ষে তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার ঝিটকার কালোই গ্রামে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।


তিনি ষড়যন্ত্র ও রিক্সাওয়ালা নামে দুটি চলচ্চিত্র এবং অসংখ্য মঞ্চ নাটক পরিচালনা ও অভিনয় করেছেন। তার লেখা নাটকের মধ্যে রয়েছে- প্রকৃতি জীবন দাও, ইন্দ্রোজাল, বিষ ইত্যাদি।


উল্লেখ্য, তিনি গাজী গ্রুপের পত্রিকা দৈনিক সারাবাংলার বার্তা সম্পাদক সুমন ইসলামের বাবা।

গ্রেফতার বা ওয়া‌রেন্ট বিষয়ে আইজিপি এমন কো‌নো বার্তা‌ দেন‌নি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ মহোদয়ের নাম ব্যবহার করে গ্রেফতার বা ওয়ারেন্ট সংক্রান্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বার্তা ছড়ানো হচ্ছে।

এআইজি (মিডিয়া এন্ড গণসংযোগ ) মোঃ সোহেল রানা এক প্রেস নোটে একথা জানান।

তিনি জানান, প্রকৃত পক্ষে এটি আইজিপি মহোদয়ের কোন বার্তা নয়, নিছক গুজব। এ ধরনের গুজ‌বে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ।

এ ধরনের গুজব ছড়ানো ফৌজদারী অপরাধ। কেউ এ ধরনের অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনতার মুখোমুখি ফেসবুক লাইভে আসছেন ডিএনসিসি মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এবার নগরবাসীর মুখোমুখি হচ্ছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

নির্বাচনে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিলো নগরবাসীর কথা শুনবেন এবং তাদের প্রয়োজন, মতামত মাথায় রেখেই নগরের উন্নয়ন করবেন, সাজাবেন সবার ঢাকা।

আগামী মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত এক ঘণ্টা ফেসবুক লাইভে থাকবেন তিনি। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন জনসংযোগ কর্মকর্তা এ এস এম মামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানিয়েছেন।

জনতারমুখোমুখিনগরসেবক এই হ্যাশট্যাগ অনুসরণ করে নগরবাসী সরাসরি কথা বলতে পারবেন মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে।

“নগর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই আমি জনতার মুখোমুখি হচ্ছি,” বলেন আতিকুল ইসলাম ।

এসময় মেয়র নগরীর বিভিন্ন সমস্যা, সমাধানের উপায়, নগরীর বিভিন্ন বিষয়ে পরিকল্পনা ও পরিচালনা সম্পর্কে সরাসরি কথা বলবেন।

জনতার সঙ্গে মেয়রের প্রশ্নোত্তরের সংযোগ ঘটাতে সঞ্চালক হিসেবে থাকবেন চলচ্চিত্র অভিনেতা ফেরদৌস।

নগরবাসী তাদের প্রশ্ন, মন্তব্য এবং মতামত লাইভ অনুষ্ঠানে যেমন দিতে পারবেন তেমনি আগেও করে রাখতে পারবেন, ডিএনসিসির অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজ facebook.com/dncc.gov.bd এবং মেয়রের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ facebook.com/atiqfordhaka এ কর্মসূচি সংক্রান্ত পোস্টে।

কমেন্ট বক্সে #জনতারমুখোমুখিনগরসেবক লিখে প্রশ্ন, মন্তব্য এবং মতামত লিখতে হবে।

এক ঘণ্টার লাইভ অনুষ্ঠানটি তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ভাগে মেয়র আতিকুল ইসলাম ডিএনসিসিকে ঘিরে তার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা নগরবাসীকে জানাবেন। দ্বিতীয় ভাগে নগরবাসীর প্রশ্ন, মন্তব্য ও মতামতের উত্তর দেবেন। এবং শেষ অংশে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এ কর্মসূচির লক্ষ্য একটাই- “সবাই মিলে গড়বো সবার ঢাকা, সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা”।

আলী যাকেরের মৃত্যুতে ডিএনসিসি মেয়রের শোক

ডেস্ক রির্পোট : একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক ও খ্যাতিমান নাট্যজন আলী যাকেরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম।

আজ শুক্রবার এক শোকবার্তায় আতিকুল ইসলাম বলেন, আলী যাকের বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক মহান ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকে সমান জনপ্রিয়। একই সাথে তিনি ছিলেন দেশীয় বিজ্ঞাপনশিল্পের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব। জনপ্রিয় এই নাট্যাভিনেতার মৃত্যুতে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অপূরণীয় ক্ষতি হলো।

মেয়র মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

জ্বর-সর্দিতে প্রয়োজন ডাক্তারের পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা : একে তো কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ভয়, তার মধ্যেই সকালে এবং রাতের দিকে তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় ঘরে ঘরে সর্দি, কাশি এবং জ্বর! এই পরিস্থিতিতে ঠিক কী হয়েছে, তা না বুঝেই আতংকিত হয়ে পড়ছেন অনেকে। চিকিৎসকেরা যদিও অযথা আতংকিত না হওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন! তারা বলছেন, জ্বর এবং সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ থাকলে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজেকে কয়েক দিন অন্যদের থেকে পৃথক রাখুন বা আইসোলেশনে থাকুন। তারপরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শারিরিক পরীক্ষা করান।

চিকিৎসকদের মতে, অযথা বিভ্রান্ত হওয়া এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো রোগ ছড়ানোর থেকে কম নয়। প্রতি বছরই এই সময়টায় তাপমাত্রা দিনের বেলায় এক রকম থাকে, রাতে অন্য রকম। সেটা মাথায় রেখে প্রথমেই কোভিড হয়েছে ধরে না নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে কোনো রকম জ্বর-সর্দি-কাশিকেই হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। এটা ইনফ্লুয়েঞ্জাও হতে পারে, কোভিডও হতে পারে। ফলে যথাযথ পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

তাপমাত্রার এই ওঠানামার সময়ে নিজেকে ভাল রাখার পদ্ধতি এক-একটি বয়সের জন্য এক-এক রকম। সকলকেই মাথায় রাখতে হবে যে, রাতের দিকে ঠান্ডা পড়তে পারে ভেবে দুপুরেই যেমন গরম পোশাক গায়ে চাপানো যাবে না, তেমনই সকালে গরম পোশাক গায়ে চাপিয়ে বেলা পর্যন্ত তা নিয়ে ঘোরাও অনুচিত হবে। কোভিড পরিস্থিতিতে সংক্রমণ এড়াতে আগের চেয়ে পানির ব্যবহার অনেকটাই বেড়েছে। ফলে তাপমাত্রা পরিবর্তনের এই সময়ে কতটা উষ্ণ পানি ব্যবহার করা হবে, সেটাও মাথায় রাখা দরকার। সেই সঙ্গে যাদের অ্যাজ়মার সমস্যা বা ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদেরও আরো বেশি করে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কোভিডের টিকা কবে আসবে, সে জন্য অপেক্ষা না করে যার যা ভ্যাকসিন নেওয়ার কথা, সেটাও দ্রুত নিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

মহানায়কের প্রস্থান

ম্যারাডোনা। একজন মহান মহানায়ক। তিনি শুধুমাত্র খেলোয়ার ম্যারাডোনা নন। তিনি তাঁরও অনেক উর্দ্ধে। তিনি সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে বর্জ্যকন্ঠ। তিনি বিপ্লবী। তিনি উচ্চকিত সব রকম শোষনের বিরুদ্ধে। তাইতো বার বার তাকে পুজিঁবাদের রোষানলে পড়তে হয়েছে। বলা হয়ে থাকে ১৯৯০ বিশ্বকাপে তাকে জোড় করেই বহিস্কার করা হয়েছে। মাদক একটি উছিলা মাত্র। প্রকৃত সত্য হচ্ছে তার প্রতিবাদি মনোভাব।

কিন্তু পুঁজিবাদের রোষানল বা সাম্রাজ্যবাদ কোন কিছুই ম্যারাডোনাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি বিশ্বের ম্যারাডোনা। তিনি মানবতার প্রতিক। তিনি শোষিতের কন্ঠস্বর। ম্যারাডোনা হয়ে উঠতে উঠতে ততদিনে চে’ গত হয়েছেন। ফিদেল ক্যাস্ট্রো, চে গুয়েভেরা, হুগো শ্যাভেজ সমসাময়িক এইসব বিপ্লবের মহানয়কদেরও নায়ক একজনই! তিনি ম্যারাডোনা।

ম্যারাডোনার মহাপ্রয়ানে কোন মাতম নয়। তিনি ইহলোক প্রস্থান করেছেন মাত্র। কিংবদন্তি পেলে ঠিকই বলেছেন, আমরা স্বর্গে একসাথে ফুটবল খেলবো। আমাদের পৃথিবীও আরো অনেকদিন ম্যারাডোনার সাথে থাকবে। অন্ততঃ বিশ্বের এই প্রজন্ম তাকে রাখবে হৃদয়ের মনিকোঠায়। ফুটবল যতদিন থাকবে ম্যারাডোনাও থাকবে। একজন মহানায়ক ম্যারাডোনা বেঁচে থাকবে অনন্তকাল।