নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা : একে তো কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ভয়, তার মধ্যেই সকালে এবং রাতের দিকে তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় ঘরে ঘরে সর্দি, কাশি এবং জ্বর! এই পরিস্থিতিতে ঠিক কী হয়েছে, তা না বুঝেই আতংকিত হয়ে পড়ছেন অনেকে। চিকিৎসকেরা যদিও অযথা আতংকিত না হওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন! তারা বলছেন, জ্বর এবং সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ থাকলে বিভ্রান্ত না হয়ে নিজেকে কয়েক দিন অন্যদের থেকে পৃথক রাখুন বা আইসোলেশনে থাকুন। তারপরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শারিরিক পরীক্ষা করান।
চিকিৎসকদের মতে, অযথা বিভ্রান্ত হওয়া এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো রোগ ছড়ানোর থেকে কম নয়। প্রতি বছরই এই সময়টায় তাপমাত্রা দিনের বেলায় এক রকম থাকে, রাতে অন্য রকম। সেটা মাথায় রেখে প্রথমেই কোভিড হয়েছে ধরে না নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে কোনো রকম জ্বর-সর্দি-কাশিকেই হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। এটা ইনফ্লুয়েঞ্জাও হতে পারে, কোভিডও হতে পারে। ফলে যথাযথ পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
তাপমাত্রার এই ওঠানামার সময়ে নিজেকে ভাল রাখার পদ্ধতি এক-একটি বয়সের জন্য এক-এক রকম। সকলকেই মাথায় রাখতে হবে যে, রাতের দিকে ঠান্ডা পড়তে পারে ভেবে দুপুরেই যেমন গরম পোশাক গায়ে চাপানো যাবে না, তেমনই সকালে গরম পোশাক গায়ে চাপিয়ে বেলা পর্যন্ত তা নিয়ে ঘোরাও অনুচিত হবে। কোভিড পরিস্থিতিতে সংক্রমণ এড়াতে আগের চেয়ে পানির ব্যবহার অনেকটাই বেড়েছে। ফলে তাপমাত্রা পরিবর্তনের এই সময়ে কতটা উষ্ণ পানি ব্যবহার করা হবে, সেটাও মাথায় রাখা দরকার। সেই সঙ্গে যাদের অ্যাজ়মার সমস্যা বা ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদেরও আরো বেশি করে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কোভিডের টিকা কবে আসবে, সে জন্য অপেক্ষা না করে যার যা ভ্যাকসিন নেওয়ার কথা, সেটাও দ্রুত নিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
