×

থানার পরিবেশও সুন্দর হতে পারে!

মোহাম্মদ আলম : ‘থানায় প্রবেশ করলে যে কারোরই মন ভাল হবে। আঙিনার একদিকে বাগানে লাল-হলুদ ফুল, পাশেই তীন ফলের গাছ। পুকুরের পারে মসজিদ। একইসাথে সেবার মানও বেড়েছে।’ এসব কথা বলছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের টঙ্গী পূর্ব থানা মসজিদে ২০ বছর ইমামতির দায়িত্বে নিয়োজিত মাওলানা মোঃ মীর জালাল উদ্দিন আনছারী।

গত কয়েক মাসে জিএমপির টঙ্গী পূর্ব থানায় একটু একটু পরিবর্তনের চিত্র দর্শনার্থী বা এলাকাবাসি সবারই নজর কেড়েছে। সরজমিনে আমাদের সময় গত সোমবার দুপুরে সেবার বিষয় নিয়েও পর্যবেক্ষণ করে।

দেখা গেছে, ৬ সেপ্টেম্বর (সোমবার) দুপুরে দত্তপাড়া থেকে মোবাইল সেট হারানোর জিডি করতে এসেছেন মাসুম নামের এক যুবক। মাসুম থানা ভবনের প্রধান ফটকের সামনে আসতেই কাচের দরজার উপরে তাকালেন। সেখানে লেখা ‘‘আমি আপনাকে কি ভাবে সাহায্য করতে পারি’’। তিনি ডিউটি অফিসারের সামনে গিয়ে বসে খুব সহজেই জিডি করেন। ডিউটি অফিসারের পাশে দর্শনার্থী এবং বিভিন্ন কাজে আসা মানুষের জন্য পরিপাটি সোফাসেট রয়েছে।

সরজমিনে থানার ভিতরের পরিবেশ আরো সুন্দর। সেখানে অন্য সব থানার মতই রয়েছে- নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস ডেস্ক । তবে এখানে ব্যতিক্রম হচ্ছে প্রসূতি মায়েদের জন্য মাতৃদুগ্ধ পান করানোর আলাদা কক্ষ। পাশেই করা হয়েছে ভুক্তভোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ফাস্ট্র এইড কক্ষ।

জানা গেছে, পুলিশে কর্মরতদের সবথেকে বিব্রতকর হচ্ছে টয়লেট ব্যবস্থা। কারন থানার বাহিরে ডিউটিতে গিয়ে সুবিধাজনক স্থানে টয়লেট করা দূঢ়হ। সেই চিন্তা থেকেই টঙ্গী পূর্ব থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের জন্য আধুনিক এবং পরিপাটি টয়লেট করা হয়েছে।

সেবার মান বেড়েছে এ কথার যথার্থতা কিভাবে বুঝা যাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি মোঃ জাভেদ মাসুদ জানান, গত ৩ মাসে থানায় ১৫৭টি মামলা রুজু হয়েছে। তবে তারা পূর্বের পেন্ডিংসহ মোট ১৬১ টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। মানুষ বিপদে পরে থানায় আসে। থানায় এসে হয়রানি না হয়ে যেন সঠিক সেবা পায় বিষয়টি তিনি নিয়মিত তদারকি করেন বলে জানান।

একজন পরিবেশ সচেতন অফিসার ইনচার্জ হিসাবে মোঃ জাভেদ মাসুদের হাত ধরেই টঙ্গী পূর্ব থানায় এই পরিবর্তনের হাওয়া। তিনি বলেন, ব্যক্তি জীবনে তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমিক মানুষ। পৈত্রিক জমিতে আম, মালটা এবং ড্রাগন ফলের বাগান করেছেন। জিএমপির টঙ্গী পূর্ব থানায় বৃক্ষ রোপণের জন্য অনেক জায়গা। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের অংশ হিসাবে আধুনিক থানা ভবন স্থাপিত হয়েছে। তিনি চেষ্টা করছেন যেন মানুষ সেবা নিতে এসে সত্যিকার সেবার পরিবেশ পায়।

জিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার(দক্ষিণ) মোঃ ইলতুৎ মিশ বলেন, যে কোন সেবা কাজের প্রথম শর্তই হচ্ছে পরিবেশ। পরিবেশ সুন্দর হলে মানুষ এমনিতেই খুশি হয়। পরে ভুক্তভোগি মানুষ যাতে সঠিক এবং কাঙ্খিত সেবা পায় এটা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর, জিএমপি কমিশনারের এমন নির্দেশ অনুযায়ী তারা কাজ করছেন।

 

চলমান নি‌ষেধাজ্ঞায় শিক্ষক-স্টাফদেরকে কর্মস্থ‌লে আসতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশ; ব্যবস্থা নিলো পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : চলমান লকডাউনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শিক্ষক ও স্টাফদের কর্মস্থলে আসার নির্দেশ দেয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকারি আদেশ মানে চলতে বাধ্য করেছে পুলিশ।

আজ ৩ আগষ্ট রাজধানীর ধানমন্ডি থানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এআই‌জি (মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স) মোঃ সোহেল রানা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত একটি খ্যাতনামা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত একটি ইমেইল বার্তায় উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও স্টাফকে স্বশরীরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে নিয়মিতভাবে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করত নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যারা বাড়িতে বসে অনলাইনে অফিস করবেন তাদের বেতন কাটা হবে। তবে, যারা স্ব-শরীরে কর্মস্থলে হাজির হয়ে অফিস করবেন তাদেরকে পুরো বেতন দেয়া হবে। এ ধরনের একটি ইমেইল বার্তা বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের হাতে আসে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মচারী ও স্টাফদেরকে এ ধরনের বার্তা দিয়ে তাদের উপর চাপ প্রয়োগ করে কর্মস্থলে আসতে বাধ্য করা আইন বিরোধী।

তিনি জানান, ০৩ আগষ্ট ২০২১ খ্রি: দুপু‌রে এই বার্তাটি পাওয়ার পর মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং তা কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্রকে প্রেরণ করে ব্যবস্থ নিতে বলে। ওসি কলাবাগান তার একটি টিমসহ কলাবাগানে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ব্রাঞ্চ পরিদর্শন করে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস ধানমন্ডি থানার অধীনে এবং সেখান থেকেই ‌বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ের সকল ক্যাম্পাস‌কে নির্দেশটি দেয়া হয়েছে। এরপর, ওসি ধানমন্ডি মোঃ ইকরাম আলী মিয়া, পিপিএম কে বিষয়টি জানিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং।

ওসি ধানমন্ডি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন এবং তাদের অফিস কর্তৃক প্রেরিত ইমেইল বার্তার বিষয়ে জানতে চান। পুলিশের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাৎক্ষনিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নতুন একটি ইমেইল বার্তায় পূর্বের আদেশ তুলে নিয়ে সকল স্টাফ, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চলমান রাখতে অনুরোধ করেন।

 

সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ প্রতিপালনে কঠোর থাকবে পুলিশ : আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর বিস্তার রোধে আগামীকাল (০১ জুলাই ২০২১) সকাল ছয়টা থেকে ০৭ জুলাই ২০২১ মধ্যরাত পর্যন্ত সরকার জারিকৃত বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে প্রতিপালনের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার)।

আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এআইজি (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) মোঃ সোহেল রানা এসব কথা জানিয়েছেন।

আইজিপি আজ বুধবার বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে ভার্চুয়ালি সকল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপার ও থানার অফিসার ইন-চার্জসহ সকল ইউনিট প্রধানদের এ নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি সরকারি বিধি-নিষেধ চলাকালে সকলকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়েছেন। সরকা‌রি নি‌র্দেশনা অনুযায়ী জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হতে হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের অনুরোধ করেন তিনি।

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ যথাযথভাবে বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সার্বিক সহায়তা প্রদানের জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন আইজিপি।

আইজিপি’র সাথে ইউনিট প্রধানদের এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সাথে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে ২০২১-২২ অর্থ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) আজ (মঙ্গলবার) বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কনফারেন্স রুম শাপলায় স্বাক্ষর হয়।

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ৩৬টি ইউনিটের প্রধানদের সাথে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অতিরিক্ত আইজি ড. মোঃ মইনুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ এর রেক্টর মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এনডিসি, ডিএমপি কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি মোঃ মাজহারুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সরকারের একটি ভালো উদ্যোগ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক‌টি আধুনিক প্রশাসনিক কৌশল। তিনি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, দেশ এবং সমাজকে অপরাধমুক্ত, শান্তিপূর্ণ এবং সুশৃংখল রাখার মাধ্যমে রুল অব ল প্রতিষ্ঠা ও অ্যাকসেস টু জাস্টিস নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ।

আইজিপি এপিএ নিয়মিত পর্যালোচনার মাধ্যমে এর লক্ষ্যমাত্রা পরিপূর্ণ মাত্রায় অর্জন এবং বাস্তবায়নের জন্য ইউনিট প্রধানদের নির্দেশ দেন। আইজিপি ব‌লেন, আপনারা অবসর গ্রহ‌নের পর নি‌জেরা সাধারণ নাগ‌রিক হি‌সে‌বে যেমন পু‌লি‌শি সেবা পে‌তে চান ঠিক সে রকম সেবা এখন থেকেই মানুষ‌কে দিন।

উ‌ল্লেখ্য, সরকারি কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি এবং সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এপিএ একটি সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা, যা নির্দিষ্ট অর্থ বছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকে। বাংলাদেশ পুলিশ ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের এপিএ চুক্তিতে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দ্বিতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দপ্তর ও সংস্থা সমূহের ম‌ধ্যে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

মুনিয়ার বোনকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় করা মামলার বাদী নুসরাত জাহান মুঠোফোনে ক্রমাগত হত্যার হুমকি পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ।

শনিবার কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ওই জিডি করেন তিনি।

এর আগে গত ২৬ এপ্রিল গুলশান-২-এর একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে গুলশান থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করেন।

নুসরাত জাহান জিডিতে লিখেছেন-

যথাযথ সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী নুসরাত জাহান (৩৪), পিতা মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শফিকুর রহমান, স্বামী মো. মিজানুর রহমান। থানায় হাজির হইয়া উপরোক্ত মোবাইল নম্বর ব্যবহারকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণদের হুমকি প্রদানের ব্যাপারে লিখিতভাবে জানাইতেছি।

আমার ছোট বোন মোসারাত জাহান মুনিয়া (২১) এর হত্যা সংক্রান্ত ঘটনার আলোকে আমি বাদী হইয়া গুলশান থানায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে মামলা করি। যাহার গুলশান থানার মামলা নং ২৭, তারিখ ২৭/০৪/২০১১ইং ধারা ৩০৬ পেনাল কোড।

উক্ত ঘটনার আলোকে প্রিন্ট মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত ঘটনা হিসাবে চলমান রহিয়াছে। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করিয়া মামলা দায়েরের পর হইতে বিবাদী পক্ষের কয়েকজন ব্যক্তি একত্রিত হইয়া আমাকে ও আমার স্বামীসহ পরিবারবর্গের সদস্যদের মামলা প্রত্যাহার করিয়া নেওয়ার জন্য অথবা বিবাদী পক্ষের সহিত উক্ত বিষয়ে সমঝোতা করার জন্য চাপ প্রযোগ অব্যাহত রাখে।

উক্ত বিষয়ে কর্ণপাত না করায় উল্লেখিত ঘটনার তারিখ ও সময়ে বর্তমান ঠিকানার বাসায় অবস্থান কালে মোবাইল নম্বর ০১৫৭১-৪২৫০৩৩, ০১৫৩৮-১৯৫৭৫১ আরও অন্য কয়েকটি নম্বর হইতে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল করিয়া মামলা প্রত্যাহারসহ বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতঃ উক্ত বিষয়ে সুষ্ঠুভাবে সুরাহা না করিলে টাকার বিনিময়ে আমাকে অথবা আমার স্বামীসহ পরিবারবর্গের সদস্যদের যেকোনোভাবে যেকোনো উপায়ে বিপদে ফেলিয়া অথবা যেকোনো অঘটন ঘটাইয়া আমাদেরকে খুন জখম করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে।

যেকোনো ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দিয়া হয়রানি ও নাজেহাল করিবে বলিয়া একাধিকবার কল করিয়া হুমকি প্রদান অব্যাহত রাখে। তাহারা যেকোনো সময় আমাকে অথবা আমার পরিবারবর্গের সদস্যদের কুমিল্লাসহ বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে যাতায়াতের পথে সময় সুযোগমতো পাইলে আক্রমণ করিয়া বা করাইয়া মারপিট ও খুন জখম করিতে পারে বলিয়া আশঙ্কা করিতেছি।

বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারবর্গের সদস্যদের নিয়া চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি। তাহাদের দ্বারা ভবিষ্যতে আমিসহ আমার পরিবারবর্গসহ আত্মীয়-স্বজনদের জানমালের যেকোনো প্রকার অপূরণীয় ক্ষতি হওয়াসহ হয়রানির শিকার হইতে পারি বলিয়া আশঙ্কা করিতেছি।

অতএব, প্রার্থনা যে, উল্লেখিত ঘটনার আলোকে ভবিষ্যতের জন্য ডায়েরিভুক্ত করার আদেশ দানে মর্জি হয়।

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

‘পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা’, ‘তোমার দেশ আমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ’, ‘তোমার নেতা আমার নেতা, শেখ মুজিব-শেখ মুজিব’ । ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা গৌরবের এক অনন্য দিন। ৫০ বছর আগের এ দিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণে গর্জে উঠেছিল রেসকোর্স ময়দানের উত্তাল জনসমুদ্র। অগ্নিঝরা সেই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহতী কাব্যের কবি হয়ে এলেন বঙ্গবন্ধু। তার বজ্রকণ্ঠের নিনাদে বাংলার আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হলো স্বাধীনতার ঘোষণা।

‘একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য কি দারুণ অপেক্ষা আর উত্তেজনা নিয়ে//কখন আসবেন কবি?’/ …শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে/রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে/অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন/…. কে রোধে তাঁহার বজ কণ্ঠ বাণী?/ গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি/এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম/ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।/ সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।’ কবি নির্মলেন্দু গুণ অগ্নিঝরা একাত্তরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাক দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণের মুহূর্তটি এভাবে কবিতায় মূর্ত করে তুলেছেন। 

বঙ্গবন্ধু সেদিন শুধু স্বাধীনতার চূড়ান্ত আহ্বানটি দিয়েই চুপ থাকেননি, স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের রূপরেখাও দিয়েছিলেন। মূলত বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণই ছিল ৯ মাসব্যাপী বাংলার মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা ও মূল ভিত্তি। সেদিন বেলা ৩টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু মঞ্চে আরোহণ করেন। ফাগুনের সূর্য তখনও মাথার উপর। মঞ্চে আসার পর তিনি জনতার উদ্দেশে হাত নাড়েন। তখন পুরো রেসকোর্স ময়দান লাখ লাখ বাঙালির

প্রায় ১৯ মিনিটের ভাষণে বঙ্গবন্ধু ইতিহাসের পুরো ক্যানভাস তুলে ধরেন। বজ কণ্ঠে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন, ‘… তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাক, কেউ কিছু বলবে না। গুলি চালালে আর ভালো হবে না। সাত কোটি মানুষকে আর দাবায়ে রাখতে পারবা না। বাঙালি মরতে শিখেছে, তাদের কেউ দাবাতে পারবে না। রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

বঙ্গবন্ধুর এ তেজোদীপ্ত ভাষণে গর্জে ওঠে উত্তাল জনসমুদ্র। তিনি সেদিন জনতাকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।’ বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষের কাছে লাল-সবুজ পতাকাকে মূর্তিমান করে তোলে। আর এ মাধ্যমে বাঙালির ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা হয়। বঙ্গবন্ধু সেদিন ‘আমি যদি হুমুক দেবারও না পারি’ বলেও সাড়ে সাত কোটি বাঙালির উদ্দেশে স্বাধীনতার আহ্বান রেখে যান।

সেদিন সারা দেশ থেকে ছুটে আসা স্বাধীনতা-পাগল মানুষের ঢলে রেসকোর্স ময়দানের চতুর্দিকে জনবিস্ফোরণ ঘটে। ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে নারী-পুরুষের স্রোতে তিলধারণের জায়গা ছিল না। বেলা ৩টায় রেসকোর্সে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকে মানুষের সমুদ্রে রূপ নেয়। রাজধানী ঢাকার চতুর্দিকে ছিলেন ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। আকাশে উড়তে থাকে হানাদারদের জঙ্গিবিমান।

শহীদ জননী জাহানার ইমামের লেখা একাত্তরের দিনলিপি গ্রন্থে ৭ মার্চের বর্ণনায় আছে, ‘রেসকোর্স মাঠের জনসভায় লোক হয়েছিল প্রায় তিরিশ লাখের মতো। কত দূরদূরান্ত থেকে যে লোক এসেছিল মিছিল করে, লাঠি আর রড ঘাড়ে করে- তার আর লেখাজোখা নেই। টঙ্গী, জয়দেবপুর, ডেমরা- এসব জায়গা থেকে তো বটেই, ২৪ ঘণ্টা হাঁটা পথ পেরিয়ে ঘোড়াশাল থেকেও বিরাট মিছিল এসেছিল গামছায় চিড়ে-গুড় বেঁধে। অন্ধ ছেলেদের মিছিল করে মিটিংয়ে যাওয়ার কথা শুনে হতবাক হয়ে গেলাম। বহু মহিলা, ছাত্রী মিছিল করে মাঠে গিয়েছিল শেখের বক্তৃতা শুনতে।’

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিত্তিমূল, উজ্জ্বল প্রেরণাভূমি। কিন্তু ৭৫-পরবর্তী বাংলাদেশে বারবার ইতিহাসের বিকৃতি ঘটেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত ইতিহাস লুকিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধূলিস্যাৎ করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে বিকশিত করার উদ্যোগ নেয়। বঙ্গবন্ধু, ৭ মার্চ ও মহান স্বাধীনতার প্রকৃত সত্য তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ‘মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বা ‘বিশ্বের স্মৃতি’ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। 

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করে এবং বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার অনির্বাণ শিখা হয়ে অফুরন্ত শক্তি ও সাহস জুগিয়ে আসছে। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল’ হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ এমন একটি ভাষণ যা যুগের পর যুগ, বছরের পর বছর, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেজে চলেছে। কিন্তু ভাষণটির আবেদন এতটুকু কমেনি। ৫০ বছর ধরে একই আবেদন নিয়ে টানা কোনো ভাষণ এভাবে শ্রবণের নজির বিশ্বের ইতিহাসে নেই। বরং যখনই প্রজন্মের পর প্রজন্ম এ ঐতিহাসিক ভাষণটি শোনে তখনই তাদের মানসপটে ভেসে ওঠে স্বাধীনতার গৌরবগাঁথা আন্দোলন-সংগ্রামের মুহূর্তগুলো, আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ওঠে দেশপ্রেমের আদর্শে। দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ শুধু বাঙালির নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ৭ মার্চ বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এ দিনে বঙ্গবন্ধু তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বজ কণ্ঠে যে কালজয়ী ভাষণ দিয়েছিলেন, তার মধ্যে নিহিত ছিল বাঙালির মুক্তির ডাক।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষে ৭ মার্চ এবার ভিন্ন আঙ্গিকে পালিত হবে। এবার প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসাবে ৭ মার্চ উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান এবং দেশব্যপী জেলা-উপজেলায় ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ জানান, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে। কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওসি তার থানা এলাকার সামাজিক নেতা, হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হতে পারেন – আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ‘অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হতে পারেন ওই থানা এলাকার সামাজিক নেতা। মানুষ তাকে ভালবাসবে, তার কথা শুনবে। তার ফোর্সকে ভালবাসবে, পুলিশকে ভালবাসবে। পুলিশের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ওসি হবেন তার এলাকার হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা, বিট পুলিশের কর্মকর্তা হবেন ওই বিটের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা। পুলিশ বাহিনীতে ভাল কাজ করার অমিত সম্ভাবনা রয়েছে । এ সম্ভাবনা ও আইনি সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে পুলিশকে মানুষের প্রথম ভরসাস্থলে পরিণত হতে হবে।’

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) আজ সোমবার দুপুরে বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্সে বরিশাল রেঞ্জ, বরিশাল মেট্রোপলিটন ও  অন্যান্য পুলিশ ইউনিটের প্রায় আড়াই হাজার পুলিশ সদস্যের সাথে প্রধান অতিথি হিসেবে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান। সভায় সভাপতি ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম।

এআইজি (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) মোঃ সোহেল রানা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে পুলিশ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এবার করোনাকালে জনসেবায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। মানুষ এর প্রতিদানও দিয়েছে।

করোনাকালে সম্মুখযোদ্ধা পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল আধুনিকায়ন করা হয়েছে। বিভাগীয় হাসপাতালের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের শিক্ষায় আটটি বিভাগে আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে যথাসম্ভব সকল উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কল্যাণ ও শৃঙ্খলা এক নয়। শৃঙ্খলার সাথে কোনভাবেই আপোষ করা হবে না।

আইজিপি দৃঢ় কন্ঠে বলেন, এখন সময় এসেছে পুলিশ সদস্যদের দৃ‌ষ্টিভ‌ঙ্গি পাল্টাতে হবে। জনগণকে নি‌র্মোহ সেবা দিতে হবে। বিনিময়ে তাদের শ্রদ্ধা পাবেন, ভালবাসা পা‌বেন।

সভায় উপস্থিত পুলিশ অফিসার ও সদস্যগণ বিভিন্ন বিষয়ে আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আইজিপি উত্থাপিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় নিয়ে তা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এর আগে আইজিপি আজ সকালে   বরিশালে জেলা পুলিশ সুপারের নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বেলুন উড়ান ও কেক কাটেন। পরে তিনি জেলা পুলিশ লাইন্সের প্রধান ফটক ‘প্রত্যয়’ উদ্বোধন করেন।

মতবিনিময় সভার শুরুতে অকাল প্রয়াত পুলিশের এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসান এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এসি আনিসুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আইজিপি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে করোনাকালে আত্মাহুতি দেয়া গর্বিত পুলিশ সদস্যদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা  প্রায় তিন ঘন্টা ধরে পুলিশ প্রধানের উদ্দীপনা ও নির্দেশনামূলক বক্তব্য গভীর মনোনিবেশসহ শ্রবণ করেন। এদিকে আইজিপির আগমন বরিশালে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মাঝে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে, যা তাদেরকে নতুন উদ্যমে জনসেবায় উজ্জীবিত করবে।

যথাযোগ্য মর্যাদায় এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসানের দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

এআই‌জি (মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স) মো. সোহেল রানা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান,

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (অপারেশন্স) মরহুম সাইদ তারিকুল হাসান , বিপিএম এর জানাযা আজ শুক্রবার সকাল এগারোটায় স্ব্যাস্থবিধি মেনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের শহিদ এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযায় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার), ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ, পুলিশ কর্মকর্তাগণ, পুলিশ সদস্যগণ, মরহুমের সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজন অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‍্যাব, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন, বিসিএস (পুলিশ) ২০তম ব্যাচসহ অন্যান্য বি‌সিএস পু‌লিশ ব্যা‌চের প্র‌তি‌নি‌ধিত্বকারী কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশন এবং ঢাকাস্থ রংপুর বিভাগ সমিতি মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

একটি সুসজ্জিত পুলিশ দল মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

পরে মরহুমের মরদেহ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে তার নিজ জেলা দিনাজপুর নেয়া হয়েছে। সেখানে আরও তিনটি জানাযা শেষে আজ শুক্রবার বাদ আসর মরহুমকে দিনাজপুর সদর থানাধীন মুদিপাড়া গ্রামে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, এআইজি (অপারেশন্স) সাঈদ তারিকুল হাসান, বিপিএম গতকাল  বৃহস্পতিবার বিকেলে সরকারী দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন।


বাংলা‌দেশ পু‌লি‌শের এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও আইজিপি’র শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের  এআইজি (অপারেশন) সাঈদ তারিকুল হাসান, বিপিএম আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।

এআইজি (মিডিয়া এন্ড গণসংযোগ ) মো. সোহেল রানা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, তিনি বান্দরবানে সরকারি দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। তাকে তাৎক্ষণিক হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুকালে তিনি মা, স্ত্রী আজুবা সুলতানা, দুই কন্যা তাসনিয়া আনজুম ও ওয়াদিয়া আরওয়া, এক ভাই, এক বোনসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি ১৯৭৫ সালের ২৭ নভেম্বর দিনাজপুর জেলার সদর থানাধীন মুদিপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আমিনুল ইসলাম এবং মাতা মোর্শেদা খাতুন।

জনাব সাঈদ ২০তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।

কর্মজীবনে তিনি রাঙ্গামাটি জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিক্রুটমেন্ট এন্ড ক্যারিয়ার প্লানিং, ইউএন এফেয়ার্স, কমিউনিটি পুলিশিং এবং সর্বশেষ অপারেশন্স উইংয়ের এআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসী বিভাগে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

পেশাগত কৃতিত্ব ও দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বিপিএম পদকে ভূষিত হন। চারবার আইজিপি ব্যাজ পেয়েছেন তিনি।

মরহুমের জানাযা আগামীকাল ৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের শহিদ এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে তার আকস্মিক মৃত্যু সংবাদ পৌঁছালে পুলিশ কর্মকর্তাগণ, তার সহকর্মীগণসহ সকলের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।

তার অকাল মৃত্যুতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সম্মা‌নিত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শোক

এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার এক শোক বার্তায় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আইজিপির শোক

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (অপারেশন) সাঈদ তারিকুল হাসানের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আজ এক শোকবাণীতে আইজিপি বলেন,  সাঈদ তারিকুল হাসান, বিপিএম একজন দক্ষ, প্রতিভাবান ও সম্ভাবনাময় পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ একজন যোগ্য ও আদর্শ কর্মকর্তাকে হারালো।

আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

‘মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করলে তাদের ভালোবাসা পাওয়া যায়’- আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) জনগণের পুলিশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাজ করছেন। তিনি বলেন, পুলিশ হবে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত, জনগণের প্রতি মানবিক, বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে পুলিশি সেবা, জনসেবায় নিবেদিত পুলিশ সদস্যদের কল্যাণও নিশ্চিত করা হবে।

আইজিপি তাঁর এ পাঁচ নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করছেন।

আজ বুধবার সকাল এগারোটা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত ঢাকা রেঞ্জের ১৩টি জেলার পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মতবিনিময় করেন।

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম।

উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আইজিপি বলেন, জনগণের সাথে খারাপ আচরন করা ও নির্যাতন করার কো‌নো সু‌যোগ নেই। জনগণের প্রতি যে কো‌নো প্রকার নির্দয় আচরণ বন্ধ করে সং‌শ্লিষ্ট বিষ‌য়ে যথাযথ আই‌নি প্র‌ক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ কর‌তে হ‌বে।

মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করলে মানুষের ভালোবাসা পাওয়া যায়, এ কথা উল্লেখ করে পুলিশ প্রধান বলেন, এর প্রমাণ করোনাকালে পুলিশ পেয়েছে।

আইজিপি বলেন, যে‌নো কো‌নো প্রকার দুর্নী‌তির আশ্রয় গ্রহন না কর‌তে হয়, সেজন্য বর্তমান সরকার সকল সরকা‌রি পেশাজী‌বি‌র সু‌যোগ সু‌বিধা ও বেতন- ভাতা অনেক বাড়িয়েছে। তাই, আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ জীবন-যাপন করতে হবে। পুলিশের কোন সদস্য দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকতে পারবে না।

পুলিশ প্রধান বলেন, পুলিশের কোন সদস্য মাদক গ্রহণ করবে না, মাদকের ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকবে না, মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পর্ক রাখবে না।

বিট পুলিশিংয়ের ব্যাপকতা ও গুরুত্ব উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারাদেশকে ৬ হাজার ৯১২টি বিটে ভাগ করে বিট পুলিশিং চালু করা হয়েছে। এর ফলে বিট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ওই এলাকার প্রতিটি খানা সম্পর্কে জানতে পারবে, তাদের সমস্যা চিহ্নিত করতে পারবে। ফলে ওই এলাকার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও আইনী সেবা প্রদান করা সহজ হবে।

বর্তমান কল্যাণ ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে চাকরিরত অবস্থায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের আধুনিকায়ন করা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ের হাসপাতালগুলো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। জেলা হাসপাতাল আধুনিকায়নের আওতায় আনা হচ্ছে। আটটি বিভাগে ক্যাডেট কলেজের আদলে উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হবে।

ড. আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে ধনী দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করছেন। উন্নত দেশের উপযোগী পুলিশ হওয়ার জন্য নিজেদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে হবে। নিজের টার্গেট সেট করতে হবে। অধঃস্তনদেরকে তৈরি করতে হবে। সংগঠনকে ভালোবাসতে হবে,  সম্মান নিয়ে চাকরি করতে হবে।
আইজিপি বলেন, আমরা প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলবো।  ফলে পুলিশের কাজে স্বচ্ছতা আসবে, দুর্নীতি কমবে। মানুষ সহজে পুলিশের সেবা পাবে।

আইজিপি বলেন,  ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু পুলিশকে জনবান্ধব, মানবিক পুলিশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাশার পুলিশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে গড়ে তোলার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

রেঞ্জাধীন জেলার পুলিশ সুপারগণ বিভিন্ন বিষয়ে পুলিশ প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আইজিপি এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এর আগে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) রেঞ্জের অপরাধ পরিস্থিতি, বিশেষ উদ্যোগ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, পাসপোর্ট তদন্ত,  পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, মাদক মামলা, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি বিষয় আইজিপির সামনে তুলে ধরেন।

আইজিপি ঢাকা রেঞ্জের ই‌নো‌ভে‌টিভ ও বিশেষ উদ্যোগের  ভূয়সী প্রশংসা করেন।

আইজিপি, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণকে উপজীব্য করে রেঞ্জ চত্বরে নির্মিত ‘মুক্তির মহাকাব্য’ ম্যুরাল উদ্বোধন করেন। তিনি ঢাকা রেঞ্জে স্থাপিত আধুনিক অপারেশন্স কন্ট্রোল রুম এন্ড মনিটরিং সেন্টার উদ্বোধন করেন। পুলিশি সেবা দ্রুত জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে  রেঞ্জের ১৩টি জেলার ৯৬টি থানাকে এ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে থানার ডিউটি অফিসার, হাজতখানা ও সেন্ট্রি বক্সের কার্যক্রম সি‌সি‌টি‌ভির মাধ্য‌মে সরাসরি মনিটর করা যাবে। ‌রেঞ্জ ডিআই‌জি কার্যাল‌য়ের একজন অ‌তি ডিআই‌জি’র নেতৃ‌ত্বে প‌রিচা‌লিত হ‌বে এই ক‌ন্ট্রোল রুম।