×

শিক্ষা মন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সুস্থতায় দোয়া কামনা

মাহবুবুর রহমান জিলানী, টঙ্গী : টঙ্গীর ঐতিহ্য বাহী স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্টান টঙ্গীর সফি উদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ শিক্ষক পরিষদের উদ্যোগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ড. দীপু মনি ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি কোভিড-১৯ করোনা রোগে আক্রান্ত হয়ে হোম কোয়ান্টাইনে আছেন।

তাদের সুস্থতা কামনা করে বৃহস্পতিবার একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সফি উদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একাডেমির সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, মোঃ আব্দুল মতিন, শিক্ষক প্রতিনিধি মোস্তফা কামাল, ইলিয়াস উদ্দিন আকন্দ, সিনিয়র শিক্ষক জি এম ফারুক, সহকারী অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মোতালেব, ইয়াসমিন নাহার প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ডক্টর দীপু মনি ও গাজীপুরের গন মানুষের নয়নের মণি শিক্ষা বন্ধু যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি র সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ফকিরহাটে সমাবেশ

আহসান টিটু, বাগেরহাট : কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার সরকারি কর্মকর্তারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা পালন করেছেন।

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে ফকিরহাট উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এ উপজেলায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা এই প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তানভীর রহমানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন ফকিরহাট সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহিমা সুলতানা বুশরা, অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মো: খায়রুল আনাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: অসিম কুমার সমাদ্দার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ কুমার নন্দী, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: পুষ্পেন কুমার শিকদার, যুব উন্নয়ন অফিসার মো: আমজাদ হোসেন সরদার প্রমূখ।

এছাড়া, ফকিরহাট উপজেলায় কর্মরত সকল সরকারি দপ্তরের দপ্তর প্রধান ও প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

এসময় বক্তারা, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদ ও নিন্দা করেন। দেশে চলমান ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও ভাস্কর্য ভাঙার মতো এরূপ কার্যক্রম প্রতিরোধের ডাক দেন। ভাস্কর্য বিরোধীদের এসব অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানানো হয় প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে।

‘বঙ্গবন্ধুর সম্মান অম্লান রাখতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সজাগ থাকুন’

রাজন্য রুহানি, জামালপুর: ‘জাতির পিতার সম্মান, রাখবো মোরা অম্লান’ এই স্লোগানে জামালপুরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্যোগে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা ও দায়রা জজ মো.জুলফিকার আলী খাঁন, জেলা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার, সরকারি আশেক মাহমুদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুজাহিদ বিল্লাহ ফারুকী, জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. শ্যামল কুমার সাহা, জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. রাজু আহাম্মেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মুখলেছুর রহমান প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভায় বক্তরা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়। ভাস্কর্য ভাংচুরের মাধ্যমে যারা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করছে তারা দেশ ও জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

বঙ্গবন্ধুর সম্মান অম্লান রাখতে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সজাগ থাকুন।’

গাজীপুরে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর : গাজীপুরে শ্যালিকাকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর জরুণ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মমিন মন্ডল ওরফে মিশু (২৮) বগুড়ার ধনুট থানার চড়পাড়া গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানায় নারী শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে।

কোনাবাড়ি থানার ওসি আবু সিদ্দিক ও ভিকটিমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত মমিন মন্ডল তার স্ত্রী ও শালিকাকে নিয়ে কোনাবাড়ীর জরুণ দশতলা নামকস্থানে জনৈক আব্দুল আলীমের বাড়িতে ভাড়া থেকে পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। গত ১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বাসা খালি পেয়ে মমিন মন্ডল ভিকটিমকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় সে গোপনে ধর্ষণের ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে আরো কয়েকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে কোনাবাড়ি থানায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ইনসমনিয়া কি?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের দিনের তিন ভাগের দুই ভাগ কাজকর্মের জন্য, বাকি একভাগ ঘুমের জন্য বরাদ্দ। ওই একভাগের উপরে নির্ভর করছে বাকি দুই ভাগ। কারণ ঘুম মস্তিষ্ক ও শরীরকে পূর্ণ বিশ্রাম দেয়। দিনে ষোলো ঘণ্টা ঠিকমতো পরিশ্রম করার জন্য আট ঘণ্টার ঘুম যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, অনিদ্রার মতো কষ্ট যাদের আছে, তারাই বুঝতে পারেন। অনিদ্রা মানে ঘুম না আসা, ডাক্তারি পরিভাষায় একে বলে ইনসমনিয়া।

কেন হয় ইনসমনিয়া : আমাদের ঘুম পায়, কারণ ক্রমাগত কাজ করার ফলে আমাদের শরীরের এটিপি (অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট) অর্থাৎ শক্তি খরচ হয়। শরীর এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য একটু সময় নেয়। এই সময়টাই হল ঘুমের সময়। তখনই শরীর এটিপি বা শক্তির পুনরুৎপাদন করে নেয়। প্রকৃতি আমাদের মস্তিষ্ক থেকে একটি রাসায়নিকের ক্ষরণ ঘটায়, যার নাম মেলাটোনিন। এই মেলাটোনিন শরীরে ঘুমের সাইকেল বা চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই মেলাটোনিন সব সময়ে তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু আলোর উপস্থিতিতে নষ্ট হয়ে যায়। তাই উজ্জ্বল আলোয় ঘুম পায় না। এখন অনেকেই দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ বা মোবাইলে কাজ করেন, চোখের সামনে উজ্জ্বল আলো তাঁদের মেলাটোনিন নষ্ট করে ঘুমের সমস্যা তৈরি করে। ফলে অল্টার্ড স্লিপ হ্যাবিট দেখা যায়। তিনি ভোর চারটে অবধি জেগে রইলেন, তার পর দুপুর এগারোটা অবধি ঘুমোলেন। এ সব ক্ষেত্রে ঘুমের সাইকেল উল্টে যায়।

অনিদ্রার লক্ষণ : রাতে ঘুম না হওয়া এই রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে এর সঙ্গে সঙ্গে যে সব উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সেগুলো হল, দিনের বেলা ঘুম ঘুম ভাব কিন্তু ঘুম না আসা, সর্বক্ষণ গভীর ক্লান্তি, খারাপ মেজাজ, কাজে মন না বসা, ইত্যাদি। এসব উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। তবে দৈনিক কতটা ঘুম প্রয়োজন, তার মাপ কিন্তু বয়স অনুযায়ী এক রকম নয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এই মেলাটোনিন সংশ্লেষ ক্রমশ কমে আসতে থাকে। জন্মের পর এক মাস পর্যন্ত যেমন বাচ্চারা তেইশ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমায়, কারণ তখন মেলাটোনিন সংশ্লেষ সবচেয়ে বেশি। একজন স্কুলে পড়া বাচ্চার (ক্লাস এইট পর্যন্ত) দিনে ঘুম দরকার অন্তত নয় ঘণ্টা। বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সেটা গিয়ে দাঁড়ায় পাঁচ ঘণ্টায়, কারণ মেলাটোনিন সংশ্লেষ তখন সবচেয়ে কম। যার যতটা ঘুম প্রয়োজন, তার কোটা পূরণ না হওয়াই অনিদ্রা রোগের লক্ষণ।

প্রতিরোধের কিছু সাধারণ উপায় :

 • ঘুমাতে যাওয়ার আগে অনেকক্ষণ ধরে মোবাইল, কম্পিউটার ইত্যাদিতে কাজ করবেন না

• ক্যাফেইন, নিকোটিন, অ্যালকোহল পরিত্যাগ করুন

• রাতে ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত তিন-চার ঘণ্টা আগে হালকা ব্যায়াম করলে সুফল পাবেন

• পরিমিত ডিনার করুন এবং বেশি রাত করে খাবেন না। পেট ভরে বা দেরিতে খেলে অনেক সময়ই ঘুমের অসুবিধা হয়

• শোবার ঘর যেন যথাসম্ভব আরামপ্রদ হয়। খুব বেশি গরম অথবা ঠান্ডা যেন না হয়। চোখ এবং কানের গার্ড পরে ঘুমোনোর অভ্যেসও করা যেতে পারে

• যেভাবে শুতে আপনি সবচেয়ে আরাম বোধ করছেন, সেভাবেই শোয়া উচিত। ঘুমের আগে বই পড়া, মৃদু লয়ের গান শোনা অথবা ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করার অভ্যেস তৈরি করতে পারেন

• ওজনের উপরে নিয়ন্ত্রণ রাখুন। উচ্চতা অনুযায়ী ওজন যেন ঠিক থাকে।

কী করণীয় : প্রথমেই মনে রাখতে হবে, নিজে নিজে বা অন্য কারও কথা শুনে ঘুমের ওষুধ কিনে খাবেন না। ডাক্তার দেখিয়ে নির্দিষ্ট মাত্রার ঘুমের ওষুধই খাওয়া উচিত। কিভাবে সে ওষুধ ধীরে ধীরে বন্ধ হবে, সে ব্যাপারেও চিকিৎসকের মতামতই শেষ কথা। ঘুম না এলে পড়তে বসতে হবে। এক্ষেত্রে গল্পের বই নয়, প্রত্যেককে তার মতো করে একটু কঠিন বিষয় নিয়ে পড়তে হবে। পড়ার মধ্য দিয়ে মস্তিষ্কের এটিপি বেশি পরিমাণে খরচ হবে, মস্তিষ্ক ক্লান্ত হবে এবং ঘুম এসে যাবে। কিন্তু ক্রনিক ইনসমনিয়া, যেমন সপ্তাহের অর্ধেক রাতেই ঘুম আসছে না, এ রকম তিন মাস ধরে চলছে, তখন চিকিৎসার প্রয়োজন।

স্বাভাবিক ঘুমের অভ্যেস ফিরে পেতে অকারণ দুশ্চিন্তা এবং যে কোনও ধরনের নেশা থেকে দূরে থাকুন। সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপনের মধ্যেই রয়েছে পর্যাপ্ত ঘুমের চাবিকাঠি।

পিল খাওয়া নিরাপদ?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ষাটের দশকে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কন্ট্রাসেপটিভ পিলকে ছাড়পত্র দেওয়ার ঘটনা মেয়েদের জীবনে একটা ছোটখাটো বিপ্লবই ঘটিয়ে ফেলেছিল। ছাড়পত্র পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তুমুল জনপ্রিয়।

কী ভাবে কাজ করে : কম্বাইনড পিল মূলত তিন ভাবে কাজ করে। এটি ওভিউলেশন আটকে দেয়। জরায়ুর মুখ বা সার্ভিক্সে থাকা মিউকাসের পর্দাটিকে মোটা করে দেয়, যাতে স্পার্ম তা ভেদ করে ঢুকতে না পারে। এবং জরায়ুর যে অংশে সন্তান থাকে, সেই লাইনিংকেও পাতলা করে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, এটিই সবচেয়ে কার্যকর উপায়ে প্রেগন্যান্সি আটকাতে পারে, যদি ঠিক ভাবে খাওয়া হয়। কম্বাইনড পিলের ব্যর্থতার উদাহরণও খুবই কম।

খাওয়ার নিয়ম : কম্বাইনড পিল টানা তিন সপ্তাহ খেয়ে যেতে হয়। সাধারণত ডিনারের পর খাওয়াই নিয়ম। এখন লো ডোজ় পিল হয় বলে নির্দিষ্ট সময় মেনে খেতে হয়। সেটি না হলেই ব্রেকথ্রু ব্লিডিং হতে পারে। যদি কেউ রোজ রাত ১০টায় এই পিল নেন, তা হলে ১০টার এক ঘণ্টা এদিক ওদিক করা যেতে পারে। কিন্তু তার বেশি না করাই ভাল। কোনও দিন নিতে ভুলে গেলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে পিলটি খেতে হবে, আবার রাতের পিলটি নিয়ম মতো খেয়ে নিতে হবে। দু’দিন ভুলে গেলে পরবর্তী অন্তত সাত দিন কন্ট্রাসেপটিভ পিলের সঙ্গে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে কনডমও ব্যবহার করা উচিত। ২১ দিন টানা খেয়ে এই পিল বন্ধ করলে পিরিয়ডস শুরু হয়। আবার পিরিয়ডসের তৃতীয় বা চতুর্থ দিন থেকে অন্য প্যাকেটটি ব্যবহার করতে হবে। কিছু পিলের ক্ষেত্রে ২৮টি ট্যাবলেটের প্যাকেটও পাওয়া যায়। সেটি একটানা খেয়ে যেতে হয়। নির্দিষ্ট সময়মতো পিরিয়ডস হয়ে যায়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : এই ধরনের পিলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম। তাও কিছু ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, খিদে না পাওয়া, সামান্য স্পটিং বা ব্লিডিং দেখা যেতে পারে। সাধারণত পাঁচ-সাত দিনের মধ্যেই এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলি কমে আসে। অবশ্য কারও ক্ষেত্রে দীর্ঘ দিন পিল নিলে ভ্যাজ়াইনাল ড্রাইনেসের সমস্যা দেখা দেয়, যৌনমিলনে অনীহাও দেখা যেতে পারে। তবে, এই ধরনের সমস্যা খুবই কম। বরং নিয়মিত পিল নেওয়ার ফলে দেখা গিয়েছে, ওভারিয়ান ক্যানসার, কোলন ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়। এমনকি পিল খাওয়া বন্ধ করার পরের পাঁচ থেকে দশ বছর ওভারিয়ান ক্যানসারের ভয়ও কম থাকে।

কিন্তু হাই ব্লাডপ্রেশার, ডায়াবিটিস, মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে পিল খাওয়া যায় না। হাই ব্লাডপ্রেশার থাকলে নিয়মিত প্রেশার চেক করতে বলা হয়। প্রেশার বেড়ে গেলেই পিল বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হয়।

মনে রাখা জরুরি : অনেকে মনে করে, টানা পিল খেয়ে গেলে গর্ভধারণে সমস্যা হয়, যা ঠিক নয়। ডা. চট্টোপাধ্যায়ের মতে, যে মাসে পিল বন্ধ করা হচ্ছে, ওভিউলেশন তার পরের মাস থেকেই শুরু হতে পারে। সুতরাং, প্রেগন্যান্সিতে সমস্যা হয় না। অনেকে ইমার্জেন্সি পিলে অত্যধিক ভরসা করেন। ঘটনা হল, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই পিল নিলে তা যতটা কার্যকর, যত দেরি হবে, তার কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়।

দেখা গিয়েছে, ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার পর এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ইউটেরাস হয়তো প্রেগন্যান্সি আটকাচ্ছে, কিন্তু প্রেগন্যান্সি ফ্যালোপিয়ান টিউবে চলে আসছে। এ এক অদ্ভুত পরিস্থিতি। এবং এ ক্ষেত্রে প্রসূতির প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা থাকে। ফলে, ইমার্জেন্সি পিলে ভরসা করা উচিত নয়।

এই কারণেই এখনও চিকিৎসকরা প্রেগন্যান্সি রোধে সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হিসেবে কম্বাইনড পিলের উপরেই ভরসা করেন।

টঙ্গীতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ॥ আহত-৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, টঙ্গী :
গাজীপুরের টঙ্গী মিলগেইট নামাবাজার এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জের ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বদিউজ্জামান বদি’র নেতৃত্বে একদল দূর্বৃত্ত হামলা চালিয়ে চারজনকে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। আহতরা হলেন-৫৫নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম সানি, সিরু মিয়া, পারভেজ পাটোয়ারি ও সোনিয়া আক্তার টুম্পা।
আহতদের উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জানা যায়, ছাত্রলীগ নেতা সানির কাছে পাওনা টাকা সংক্রান্ত ঘটনায় বদিউজ্জামানের লোকজনের সাথে বেশ কিছুদিন যাবৎ বিরোধ চলছিলো। এনিয়ে গতকাল সকালে স্থানীয় কাউন্সিলর আবুল হাশেমের মধ্যস্থতায় তার অফিসে উভয়পক্ষের ঝামেলা মিমাংসার কথা ছিলো।
কিন্তু ছাত্রলীগ নেতা সানি কাউন্সিলরের অফিসে উপস্থিত না হওয়ায় বদিউজ্জামান বদি ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সানির বাড়িতে হামলা চালায় এবং তাকে তুলে নিয়ে যায়। এতে বাধা দিলে সন্ত্রাসীদের এলোপাথারি পিটুনিতে সিরু মিয়া, পারভেজ ও সোনিয়া আক্তার টুম্পা আহত হয়। পরে ৯৯৯ এ ফোন দিলে টঙ্গী পশ্চিম থানার এসআই হাসান একদল পুলিশ নিয়ে সানিসহ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এবিষয়ে বদিউজ্জামান বদির সাথে যোগাযোগ করলে তার নেতৃত্বে হামলার বিষয়টি অস্বিকার করেন এবং ঘটনার সময় তিনি ছিলেন না বলে দাবি করেন।
এব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি এমদাদুল হকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহতরা থানায় এসে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লাঙল-জোয়ালের বাংলাদেশ এখন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, টঙ্গী : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, বর্তমানে দেশীয় কোম্পানী বাংলাদেশে মোবাইলের মোট চাহিদার ষাট ভাগ পূরণ করছে। লাঙল-জোয়ালের বাংলাদেশ এখন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে আমরা বিশ্বকে দেখিয়ে দিব, তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে আমরা এখন কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি। বিশ্ব কখনো কল্পনাও করে নাই বাংলাদেশ এতো দ্রুত এগিয়ে যাবে। আমাদের আগে স্বাধীন হওয়া ভারত ও পাকিস্তান এখন বাংলাদেশের সাথে তুলনা করার সক্ষমতা রাখে না। তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশীয় পণ্য এখন ইউরোপ-অ্যামেরিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। দেশের মানুষ এখন আর বিদেশ যেতে ইচ্চুক না। দেশে পণ্য উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানী করে সুনাম অর্জন করছে।
তিনি ভিডিও কনফারেন্সে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানার সাতাইশ হযরত শাহজালাল (রহ.) রোডে ‘আলামিন এ- ব্রাদার্স এবং ৫স্টার ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লি:’ এর নতুন কারখানার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। রোববার বিকেলে কারখানাটির নিজস্ব ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটি মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক টঙ্গী পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খানও অনলাইনে থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন।
কোম্পানীটির চেয়ারম্যান অলি উল্লাহর সভাপতিত্বে ও আহসানুল পান্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, বিটিআরসি’র স্পেকটাম বিভাগের কমিশনার প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, বিটিআরসি’র স্পেকটাম বিভাগের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদুল আলম, পরিচালক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আজাদ মিয়া, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মহাজোটের চেয়ারম্যান মনিরুল হক, টঙ্গীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নূরুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সাল থেকে ফাইভ স্টার মোবাইল কোম্পানী দেশের মাটিতে যাত্রা শুরু করে। দেশীয় কোম্পানীটি দেশে সর্বস্তরের মানুষের কাছে স্বল্প মূল্যে (৬‘শ টাকায়) মোবাইল সেট পৌছে দিতে বাজারজাত করে আসছে। বর্তমানে কোম্পানীটিতে চার শতাধিক শ্রমিক কাজ করছে এবং আগামী এক মাসের মধ্যে সহস্রাধিক শ্রমিক কাজ শুরু করবে এবং কোম্পানীতে মাদারবোর্ডও তৈরি হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
#

বাসে অগ্নিসংযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : রাজধানীতে বাসে অগ্নিসংযোগের নাশকতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

শনিবার রাজধানীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-১৮ উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই সহিংসতা হতে পারে। কিছু টেলিফোন কথোপকথন পাওয়া গেছে, যাতে দেখা যায় যে ফলাফল মেনে নিতে পারেনি বলেই তারা (বিএনপি) এমনটি করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেখানেই তারা পরাজিত হয়েছে সেখানেই তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। যারা এ অগ্নিসংযোগ করেছিলেন, ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে তাদের চিহ্নিত করে আমরা তাদের আইনের কাছে সোপর্দ করেছি।

আসাদুজ্জামান খাঁন আরও বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে। দেশে আমরা কোন অরাজক পরিস্থিতি হতে দেবনা।

বিএনপি’র অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি এজেন্টরা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন-এই বক্তব্যের কোনো সত্যতা আছে বলে মনে করেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে, রাজধানীতে বাস পোড়ানোর ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৪টি মামলা ও ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে ২৮ জনকে।

মহানগর পু্লিশ জানিয়েছে, বাসে আগুন দেয়ায় দাহ্য পদার্থ ব্যবহৃত হয়েছে। গান পাউডার নাকি পেট্রোল বোমা সেটি রিপোর্ট পেলে পরে জানা যাবে। রাজধানীতে পুলিশি টহল ও চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে।

মুখেমুখে নৌকার বুলি, ভোট বাক্স খালি

মোহাম্মদ আলম : বঙ্গবন্ধু কন্যাকে সবিনয় অনুরোধ করবো কর্মী সমর্থক নিয়ে নতুন করে ভাবতে । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার অনেক উন্নয়ন করেছে। নাগরিক সুবিধা অন্য যে কোন সময়ের চাইতে বেশি। করোনা মোকাবেলায় সরকার সাফল্যের সাক্ষর রেখেছে। অনেক কিছুতেই বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল। তারপরও জনগণ খুশি না কেন ? ঘরে ঘরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। মাঠে ঘাটে নৌকার গগনবিদারী স্লোগান। ভোট বাক্স কেন খালি। আওয়ামী লীগের হাজারে বিজারে নেতাকর্মী সমর্থকরা কোথায় গেলো।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে ঢাকা-১৮ আসনে মোট ৫ লাখ ৭৭ হাজার ১১৬ জন ভোটার। ভোট পড়েছে মাত্র ৮০ হাজার।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কেন ভোট দিচ্ছে না। তাহলে কি আওয়ামী লীগের পতাকাতলে হাইব্রিড রুপি নেতা কর্মীরা শুধুই সুবিধার জন্য ভিড়েছে। সুযোগ পেলে তারা কি আবার মুখ ফেরাবে। তা না হলে ভোট দেবার ক্ষেত্রে এমন অনিহা কেন !

বিরোধী দলগুলোর সাংগঠনিক দূর্বলতা তলানিতে। অদুর ভবিষ্যতে আবার কতদিনে তারা সেই শক্তি অর্জন করবে তারও কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বিরোধী দলগুলোর সাংগঠনিক ব্যর্থতাও এর জন্য দায়ি।

ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনে মাত্র ১৪ দশমিক ৫৭ ভাগ ভোট পরেছে। তবে সেই তুলনায় সিরাজগঞ্জ-১ আসনে শতকরা ৫৫ ভাগ অনেক ভাল। সম্প্রতি ঢাকা-১০ আসনে ভোট পরেছিল ১৫ শতাংশ। এটা কোনভাবেই কাম্য নয়। নানা কারনে শুন্য হওয়ায় এসব স্থানে উপ-নির্বাচন হলো। হতে পারে উপ-নির্বাচন নিয়ে জনসাধারণের তেমন আগ্রহ ছিলো না। তবে এটা একটা কারন মাত্র। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোট প্রয়োগের জন্য জনসাধারণকে আসতে হবে। এটা নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

গতকাল নিজের ভোট প্রয়োগ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোটার কম হওয়ার অনেক সমীকরণ থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞরা এটা বিশ্লেষণ করে বলতে পারবেন।’ এটা স্রেফ দায় এড়ানো। জনসাধারণকে ভোট দিতে উদ্ভুদ্ধ করতে নির্বাচন কমিশনের কর্মসুচি রয়েছে। তা জেনেও তিনি একথা বলেছেন।

ভোট নিয়ে সুশিল সমাজেরও তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। গণমাধ্যমে লেখালেখি বা আলোচনা তুলনামূলক কম। এটা অশনিসংকেত। সমস্যা রয়েছে। তবে নিরবতা কোন সমাধান নয়। নির্বাচনী বুথে কেহ এলোই না। এটা কেমন কথা।

ভোট নাগরিক অধিকার। ভোট প্রয়োগ করা একজন নাগরিকের দায়িত্ব। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজে ভোট দেব। অন্যকে ভোট দিতে উৎসাহিত করবো।