জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদকে প্রত্যাহারের দাবিতে অব্যাহত আন্দোলনের ৬ষ্ঠ দিনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা।
জেলার সাংবাদিকদের সব সংগঠনের মিলিত এই আন্দোলনে বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় জামালপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক শোয়েব হোসেন, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মিন্টু, দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক সুশান্ত কুমার দেব কানু, সময় টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, ডিবিসি টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার শুভ্র মেহেদী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি জ্যোতিষ চন্দ্র এষ, কম্বাইন হিউম্যান রাইটসের সভাপতি এম এইচ মজনু মোল্লা, সময়ের আলোর সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান কাজল, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব জামালপুর শাখার সভাপতি মনিরুল হক নোবেল, বাংলা টিভির জেলা প্রতিনিধি কাউসার আহমেদ, দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ হীরা, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন জেলা শাখার সভাপতি শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বক্তারা পুলিশ সুপারকে দ্রুত প্রত্যাহার এবং অনুমোদনবিহীন পুনাক মেলা বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা আরও বলেন, মেলার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক ও চেম্বার অব কমার্সের অনুমতি না মিললেও মেলার সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে।
অবিলম্বে এ মেলা বন্ধ করে পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক নেতারা।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে পুনাক মেলা সম্পর্কে অবহিত করতে সাংবাদিকদের মেলা প্রাঙ্গণে ডাকেন ওই পুলিশ সুপার। তার ডাকে সাড়া দিতে না পারায় পুলিশ সুপার ক্ষিপ্ত হয়ে জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদা ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানসহ সাংবাদিকদের ধরে পিটিয়ে চামড়া তুলে নেওয়াসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ফাঁসানোর হুমকি দেন। এর প্রতিবিাদে আন্দোলনে নামেন জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা।
