ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীর গোদাগাড়ীর অপরিপক্ক টমেটো প্রক্রিয়াজাত করে পাকাচ্ছে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী। রাইপেন নামের ঔষধ স্প্রে করে সবুজ টমেটো লাল রংঙে পরিণত করা হচ্ছে। কেমিক্যালে ব্যবহারকৃত কাঁচা টমেটো পাকিয়ে বাজারজাত করছে ব্যবসায়ীরা। প্রতি বছর ১শত ৫০ কোটি টাকার টমোটো বিক্রয় হয়। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ভোক্তাদের।
প্রক্রিয়া শেষে ওই টমেটোগুলো লাল রং ধারণ করে। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বাজারজাত করা হবে। গোদাগাড়ীর টমেটোগুলোই পাইকারি বিক্রয় করা হয় ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। গোদাগাড়ী উপজেলায় প্রায় ৩০টি স্থানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার ব্যবসায়ীরা টমেটো ব্যবসার করছেন।
এবিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলমান মৌসুমের টমেটো বেচা-কেনা শুরু হয়েছে গোদাগাড়ীতে। আগামী ২ মাস টমেটোর গোদাগাড়ীর চরণভূমিখ্যাত এলাকায় শুধু টমেটো বেচা-কেনায় হবে প্রায় ১শত ৫০ কোটি টাকা। এই বছরের শুরুতেই টমেটোর বাজার মূল্য অনেক বেশি। টমেটো বেশি দাম ক্রয়ের পর অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে বাজারজাত করতে হয় তাদের। দেশি টমেটোর পাশাপাশি ভারতীয় আমদানীকৃত টমেটোর প্রভাব রয়েছে অনেক বেশি। ফলে উচ্চ হারে দাম দিয়ে টমেটো কিনে সেটি বাজারে গিয়ে ভালো দাম না পাওয়া গেলে শুরুতেই ব্যবসায়ীদের ক্ষতিরমুখে পড়ার সম্ভাবনা আছে।
গত সোমবার গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই উপজেলায় ২ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। যা ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার টমেটো কেনা-বেচা হবে বলেও আশা করা যাচ্ছে। টমেটোতে একবার ‘ইথিফন’ ও ‘ডায়থিন এম ৪৫’ জাতীয় ঔষধ স্প্রে করা হয়েছে। যা ভোক্তাদের জন্য স্বাস্থ্য সম্মত্য। অপরিপক্ক টমেটো লাল রং করতে কিছু ব্যবসায়ীরা রাইপেন নামক কেমিক্যালে ব্যবহার করে। কিন্ত কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অগচরে।’
তবে উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকে সব ধরনের তদারকি আছে বলেও জানান তিনি।
