রাজন্য রুহানি, জামালপুর: জেলা শহরে ১৫’শ হোটেল শ্রমিক চলমান লকডাউনে বেকার হয়ে পড়ায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং তাদের দাবি যে, তারা সরকারি বেসরকারি কোনো আর্থিক সহযোগিতা পাননি। মহামারির এই দুর্যোগে তাই তারা সরকারের কাছে আর্থিক সহযোগিতা ও ত্রাণ চেয়েছেন। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা সকল হােটেল খুলে দিতেও অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে পূর্বের চাকরি ফিরে পেয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
রোববার (২৩ মে) সকাল ১১ টায় শহরের গেইটপাড়স্থ হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
তারা সংবাদ সম্মেলনে বলেন যে, শহরে ছােট বড় প্রায় ১৫০টি খাবার হােটেলে গড়ে ১০ জন শ্রমিক কাজ করতেন। চলমান লকডাউনে রোজার মধ্যে হােটেল খােলা রেখে কেবল পার্সেল বিক্রির অনুমতি থাকায় ২০/২৫টি হোটেলের প্রত্যেকটিতে মাত্র ২/৩ জন শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। বাকি হোটেলগুলো বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন শ্রমিকরা।
তারা পরিবার সদস্যদের তিনবেলা আহার তুলে দিতে পারেননি। অনাহারে-অর্ধাহারে তাদের দিন কাটছে।
জেলা হােটেল শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউনিয়নের উপদেষ্টা মজনু মোল্লা।
ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. স্বপন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল আওয়াল চিশতি, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. রোকন মিয়া প্রমুখ।
অপরদিকে, সরকারি সাহায্যের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন শ্রমিকরা।
