×

‘বঙ্গবন্ধুর সম্মান অম্লান রাখতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সজাগ থাকুন’

রাজন্য রুহানি, জামালপুর: ‘জাতির পিতার সম্মান, রাখবো মোরা অম্লান’ এই স্লোগানে জামালপুরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্যোগে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা ও দায়রা জজ মো.জুলফিকার আলী খাঁন, জেলা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার, সরকারি আশেক মাহমুদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুজাহিদ বিল্লাহ ফারুকী, জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. শ্যামল কুমার সাহা, জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. রাজু আহাম্মেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মুখলেছুর রহমান প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভায় বক্তরা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়। ভাস্কর্য ভাংচুরের মাধ্যমে যারা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করছে তারা দেশ ও জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

বঙ্গবন্ধুর সম্মান অম্লান রাখতে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সজাগ থাকুন।’

গাজীপুরে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর : গাজীপুরে শ্যালিকাকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর জরুণ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মমিন মন্ডল ওরফে মিশু (২৮) বগুড়ার ধনুট থানার চড়পাড়া গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানায় নারী শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে।

কোনাবাড়ি থানার ওসি আবু সিদ্দিক ও ভিকটিমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত মমিন মন্ডল তার স্ত্রী ও শালিকাকে নিয়ে কোনাবাড়ীর জরুণ দশতলা নামকস্থানে জনৈক আব্দুল আলীমের বাড়িতে ভাড়া থেকে পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। গত ১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বাসা খালি পেয়ে মমিন মন্ডল ভিকটিমকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় সে গোপনে ধর্ষণের ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে আরো কয়েকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে কোনাবাড়ি থানায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শিশুর ঋতু পরিবর্তনের জ্বর!

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : সাধারণ জ্বর ঘোরাফরা করে ১০০-১০১ ডিগ্রির মধ্যে। নিজে থেকেই এ জ্বর ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সেরে যায়। ক্ষেত্রবিশেষে ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়। চোখ, নাক দিয়ে পানি বের হওয়া, গা, হাত-পা ব্যথা, মাংসপেশি টেনে ধরা এগুলিই পারিপার্শ্বিক লক্ষণ। তবে করোনার সময় অনেক বেশি মাত্রায় জ্বর আসে। তার সঙ্গে স্বাদ ও গন্ধও হারিয়ে যায়। তবে এই ভাইরাসে জ্বর হলে চোখ নাক দিয়ে পানি বের হয় না। 

আতঙ্ক ছড়ানোটা অবাস্তব নয়। কারণ কোভিডের প্রথম পর্য়ায়ে ভাবা হয়েছিল শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগের প্রকোপ হয়তো কম। কিন্তু পরে দেখা গেল যে শিশুদের মধ্যেও করোনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। কোভিড হাসপাতালগুলির নিভৃতবাসে শিশুরাও ভর্তি হয়েছিল। ফলে সেই রোগের উপসর্গ ঋতু পরিবর্তনে দেখা দিলে আতঙ্ক তো তৈরি হবেই।

শীতকালীন সময়ে সূর্যরশ্মির তীব্রতা ক্রমশ হ্রাস পায়, দিনের দৈর্ঘ্য কমতে থাকে। এই সময় ইনফ্লুয়েঞ্জা, প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জা, অ্যাডিনো ভাইরাস প্রভৃতির বংশবৃদ্ধি করে। এই সময়টা ভাইরাসের মহানন্দের সময়। তাই এই সময় সতর্ক থাকা অবশ্য প্রয়োজন।

করোনা প্রভাব ছড়িয়ে পড়তে শিশুরা অন্তর্মুখী হয়ে বহির্জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন। মেজাজ সপ্তমে চড়ে থাকছে। হঠাৎ শরীরে কম্পন অনুভূত হচ্ছে। এগুলিই শিশুদের অবসাদ ও আতঙ্কিত হওয়ার লক্ষ্মণ।

ঋতু পরিবর্তনের কারণে যে সব শিশু জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে আসছে, তাদের বাবা মায়ের মধ্যেও কোভিড আতঙ্ক গ্রাস করছে। আতঙ্কিত হবেন না।শিশুদের অনাক্রমতা বা ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য ফল আনাজ, ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় থাকবে না।

এই সময় শিশুদের অ্যালার্জি বেশি  দেখা যাচ্ছে। এটা মূলত তিন ধরনের—ড্রাগ অ্যালার্জি, ডাস্ট অ্যালার্জি এবং ফুড অ্যালার্জি। শিশুদের ক্ষেত্রে ডাস্ট অ্যালার্জির প্রভাব বেশি। এই ধরনের অ্যালার্জি যে সব বাচ্চাদের রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ঠান্ডা লেগে জ্বর হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। বর্তমান প্রজন্মের বাচ্চারা বেশিরভাগ সময়ে ঘরের ভেতরে থাকায় তাদের শরীরে ভিটামিন-ডি এর অভাব রয়েছে। তাই জ্বরজ্বালায় সংক্রমণের প্রবণতা বেশি।

প্রথমত দিনের বেশির ভাগ সময়টা সূর্যের আলোয় কাটালে উপকার হবে। এ ছাড়া ঘন ঘন ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান না করা, ভোররাতে পাখা চালিয়ে না ঘুমনো, এসি না চালানো—এ সব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

জ্বর ভাইরাস ঘটিত একটি রোগ। ফলে তার জন্য শুধু প্যারাসিটামল ট্যাবলেটই যথেষ্ট। তবে ওষুধ না খেলেও নিজে থেকেই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই জ্বর সেরে যায়। বিশেষ ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল জাতীয় ট্যাবলেট প্রয়োজন হয়। তবে যদি তাতেও জ্বর না সারে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কোভিড পরীক্ষা করা জরুরি। কোনও অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিকওষুধ খাওয়া উচিত নয়।

ঋতু পরিবর্তনের সাধারণ জ্বর এবং করোনার কারণে জ্বরের মধ্যে অনেক পার্থক্য। জ্বর হলে ভয় পাওয়া বা অযথা আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। মনে রাখা দরকার, মন দুর্বল হয়ে গেলে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যায়। ভিটামিন প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন। শিশুদের ক্ষেত্রে বেবি ফুড, এনার্জি ড্রিঙ্ক বা ফুড সাপ্লিমেন্ট কনও সুষম আহারের বিকল্প হতে পারে না।

ওসি তার থানা এলাকার সামাজিক নেতা, হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হতে পারেন – আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ‘অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হতে পারেন ওই থানা এলাকার সামাজিক নেতা। মানুষ তাকে ভালবাসবে, তার কথা শুনবে। তার ফোর্সকে ভালবাসবে, পুলিশকে ভালবাসবে। পুলিশের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ওসি হবেন তার এলাকার হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা, বিট পুলিশের কর্মকর্তা হবেন ওই বিটের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা। পুলিশ বাহিনীতে ভাল কাজ করার অমিত সম্ভাবনা রয়েছে । এ সম্ভাবনা ও আইনি সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে পুলিশকে মানুষের প্রথম ভরসাস্থলে পরিণত হতে হবে।’

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) আজ সোমবার দুপুরে বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্সে বরিশাল রেঞ্জ, বরিশাল মেট্রোপলিটন ও  অন্যান্য পুলিশ ইউনিটের প্রায় আড়াই হাজার পুলিশ সদস্যের সাথে প্রধান অতিথি হিসেবে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান। সভায় সভাপতি ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম।

এআইজি (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) মোঃ সোহেল রানা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে পুলিশ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এবার করোনাকালে জনসেবায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। মানুষ এর প্রতিদানও দিয়েছে।

করোনাকালে সম্মুখযোদ্ধা পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল আধুনিকায়ন করা হয়েছে। বিভাগীয় হাসপাতালের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের শিক্ষায় আটটি বিভাগে আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে যথাসম্ভব সকল উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কল্যাণ ও শৃঙ্খলা এক নয়। শৃঙ্খলার সাথে কোনভাবেই আপোষ করা হবে না।

আইজিপি দৃঢ় কন্ঠে বলেন, এখন সময় এসেছে পুলিশ সদস্যদের দৃ‌ষ্টিভ‌ঙ্গি পাল্টাতে হবে। জনগণকে নি‌র্মোহ সেবা দিতে হবে। বিনিময়ে তাদের শ্রদ্ধা পাবেন, ভালবাসা পা‌বেন।

সভায় উপস্থিত পুলিশ অফিসার ও সদস্যগণ বিভিন্ন বিষয়ে আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আইজিপি উত্থাপিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় নিয়ে তা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এর আগে আইজিপি আজ সকালে   বরিশালে জেলা পুলিশ সুপারের নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বেলুন উড়ান ও কেক কাটেন। পরে তিনি জেলা পুলিশ লাইন্সের প্রধান ফটক ‘প্রত্যয়’ উদ্বোধন করেন।

মতবিনিময় সভার শুরুতে অকাল প্রয়াত পুলিশের এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসান এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এসি আনিসুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আইজিপি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে করোনাকালে আত্মাহুতি দেয়া গর্বিত পুলিশ সদস্যদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা  প্রায় তিন ঘন্টা ধরে পুলিশ প্রধানের উদ্দীপনা ও নির্দেশনামূলক বক্তব্য গভীর মনোনিবেশসহ শ্রবণ করেন। এদিকে আইজিপির আগমন বরিশালে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মাঝে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে, যা তাদেরকে নতুন উদ্যমে জনসেবায় উজ্জীবিত করবে।

ভুল শুধরে নেয়া অনেক বড় শিক্ষা

মো. সারোয়ার ইকরাম, ত্রিশাল : বাঙালির স্বভাবজাত রোগ হচ্ছে ভুল না স্বীকার করা। পাশ্চাত্য সভ্য ! এর অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে ওনারা নিজেদের ভুল স্বীকার করেন। ক্ষেত্র বিশেষে স্বপ্রনোদিত হয়ে ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। বাঙালি কেহ এমনটি করলে তা অবশ্যই সাধুবাদ পাবার যোগ্য। সে ভুল যত নগন্যই হোক না কেন!

বলছি আমাদের ত্রিশাল প্রতিনিধি মো. সারোয়ার ইকরামের কথা। তিনি যোগাযোগ নিয়ে যে বিব্রত হয়েছেন তা অকপটে বলেছেন। আবার তিনি বলতেও দ্বিধা বোধ করেন নি যে সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় মনক্ষুন্ন। পালন করছেন মৌনব্রত। হ্যাঁ আমি আপনার ভুল এবং আমার অবহেলা দুটোই অনুধাবন করেছি। আসা করি আপনার মন এবার সপদে বহাল হবে। জাতি যে ক্রান্তিকাল পার করছে। এখনই জেগে উঠার সময়। কুচক্রী স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করুন।

তার প্রতিকৃয়া হুবহু তলে ধরা হলো, একটি ইংরেজী অক্ষর জ্বালাতে পারে আগুন ! আজকের এই  ইন্টারনেট দুনিয়ায়  মানুষের যোগাযোগ এর একটি মাধ্যম ই-মেইল। তার সঠিক ব্যবহার জানা অবশ্যই জরুরী। সঠিক ব্যবহার জানার পর ভুল করে গেছেন রিপন সারওয়ার। matrivashabd লিখতে  ‘i’ এর ব্যবহার না করায় বার বার তার মেইল গুলো চলে যায় অন্য ঠিকানায়।

এদিকে মেইল এর কোন জবাব না পেয়ে অন্তর জালায় জলতে থাকে। তারপর  তার ভুল যখন ধরতে পারে সরাসরি বস এর মোবাইল নাম্বারে কল করে বস তার কল রিসিভ না করায় আজ থেকে সে মৌনব্রত পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বসই পারবে একমাত্র তার মৌনব্রত ভাঙতে। উল্লেখ থাকে যে বসের দেওয়া কনসেভ পালন করতে তার কিছু ছবি দেওয়া হলো।

অনুলিখন : মোহাম্মদ আলম

যথাযোগ্য মর্যাদায় এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসানের দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

এআই‌জি (মি‌ডিয়া এন্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স) মো. সোহেল রানা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান,

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (অপারেশন্স) মরহুম সাইদ তারিকুল হাসান , বিপিএম এর জানাযা আজ শুক্রবার সকাল এগারোটায় স্ব্যাস্থবিধি মেনে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের শহিদ এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযায় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার), ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ, পুলিশ কর্মকর্তাগণ, পুলিশ সদস্যগণ, মরহুমের সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজন অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‍্যাব, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন, বিসিএস (পুলিশ) ২০তম ব্যাচসহ অন্যান্য বি‌সিএস পু‌লিশ ব্যা‌চের প্র‌তি‌নি‌ধিত্বকারী কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশন এবং ঢাকাস্থ রংপুর বিভাগ সমিতি মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

একটি সুসজ্জিত পুলিশ দল মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

পরে মরহুমের মরদেহ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে তার নিজ জেলা দিনাজপুর নেয়া হয়েছে। সেখানে আরও তিনটি জানাযা শেষে আজ শুক্রবার বাদ আসর মরহুমকে দিনাজপুর সদর থানাধীন মুদিপাড়া গ্রামে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, এআইজি (অপারেশন্স) সাঈদ তারিকুল হাসান, বিপিএম গতকাল  বৃহস্পতিবার বিকেলে সরকারী দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন।


রত্নগর্ভা নুরজাহান বেগম আর নেই


মোঃ ইমরান হোসেন রিজবী নবাবগঞ্জ:
ঢাকা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক এর গর্ভধারিনি মা বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না-ইলাহী রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

এক শোক বার্তায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন-

নুরজাহান বেগম এর মৃত্যুতে তাঁর পরিবার-পরিজন ও এলাকাবাসীর মতো আমিও গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত হয়েছি। ধর্মপ্রাণ ও পরোপকারী মরহুমা নুরজাহান বেগম এলাকার মানুষের নিকট ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন। তিনি মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে তাঁর সন্তানদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন, যারা বর্তমানে স্ব স্ব পেশায় প্রতিষ্ঠিত। দোয়া করি-মহান রাব্বুল আলামীন যেন মরহুমা নুরজাহান বেগমকে জান্নাত নসীব এবং শোকাহত পরিবার-পরিজনদের ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।
মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।

বাংলা‌দেশ পু‌লি‌শের এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও আইজিপি’র শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের  এআইজি (অপারেশন) সাঈদ তারিকুল হাসান, বিপিএম আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।

এআইজি (মিডিয়া এন্ড গণসংযোগ ) মো. সোহেল রানা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, তিনি বান্দরবানে সরকারি দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। তাকে তাৎক্ষণিক হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুকালে তিনি মা, স্ত্রী আজুবা সুলতানা, দুই কন্যা তাসনিয়া আনজুম ও ওয়াদিয়া আরওয়া, এক ভাই, এক বোনসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি ১৯৭৫ সালের ২৭ নভেম্বর দিনাজপুর জেলার সদর থানাধীন মুদিপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আমিনুল ইসলাম এবং মাতা মোর্শেদা খাতুন।

জনাব সাঈদ ২০তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।

কর্মজীবনে তিনি রাঙ্গামাটি জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিক্রুটমেন্ট এন্ড ক্যারিয়ার প্লানিং, ইউএন এফেয়ার্স, কমিউনিটি পুলিশিং এবং সর্বশেষ অপারেশন্স উইংয়ের এআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসী বিভাগে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

পেশাগত কৃতিত্ব ও দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বিপিএম পদকে ভূষিত হন। চারবার আইজিপি ব্যাজ পেয়েছেন তিনি।

মরহুমের জানাযা আগামীকাল ৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের শহিদ এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে তার আকস্মিক মৃত্যু সংবাদ পৌঁছালে পুলিশ কর্মকর্তাগণ, তার সহকর্মীগণসহ সকলের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।

তার অকাল মৃত্যুতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সম্মা‌নিত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শোক

এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার এক শোক বার্তায় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আইজিপির শোক

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (অপারেশন) সাঈদ তারিকুল হাসানের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আজ এক শোকবাণীতে আইজিপি বলেন,  সাঈদ তারিকুল হাসান, বিপিএম একজন দক্ষ, প্রতিভাবান ও সম্ভাবনাময় পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশ একজন যোগ্য ও আদর্শ কর্মকর্তাকে হারালো।

আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

‘মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করলে তাদের ভালোবাসা পাওয়া যায়’- আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) জনগণের পুলিশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাজ করছেন। তিনি বলেন, পুলিশ হবে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত, জনগণের প্রতি মানবিক, বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে পুলিশি সেবা, জনসেবায় নিবেদিত পুলিশ সদস্যদের কল্যাণও নিশ্চিত করা হবে।

আইজিপি তাঁর এ পাঁচ নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করছেন।

আজ বুধবার সকাল এগারোটা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত ঢাকা রেঞ্জের ১৩টি জেলার পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মতবিনিময় করেন।

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম।

উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আইজিপি বলেন, জনগণের সাথে খারাপ আচরন করা ও নির্যাতন করার কো‌নো সু‌যোগ নেই। জনগণের প্রতি যে কো‌নো প্রকার নির্দয় আচরণ বন্ধ করে সং‌শ্লিষ্ট বিষ‌য়ে যথাযথ আই‌নি প্র‌ক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ কর‌তে হ‌বে।

মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করলে মানুষের ভালোবাসা পাওয়া যায়, এ কথা উল্লেখ করে পুলিশ প্রধান বলেন, এর প্রমাণ করোনাকালে পুলিশ পেয়েছে।

আইজিপি বলেন, যে‌নো কো‌নো প্রকার দুর্নী‌তির আশ্রয় গ্রহন না কর‌তে হয়, সেজন্য বর্তমান সরকার সকল সরকা‌রি পেশাজী‌বি‌র সু‌যোগ সু‌বিধা ও বেতন- ভাতা অনেক বাড়িয়েছে। তাই, আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ জীবন-যাপন করতে হবে। পুলিশের কোন সদস্য দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকতে পারবে না।

পুলিশ প্রধান বলেন, পুলিশের কোন সদস্য মাদক গ্রহণ করবে না, মাদকের ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকবে না, মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পর্ক রাখবে না।

বিট পুলিশিংয়ের ব্যাপকতা ও গুরুত্ব উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সারাদেশকে ৬ হাজার ৯১২টি বিটে ভাগ করে বিট পুলিশিং চালু করা হয়েছে। এর ফলে বিট এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ওই এলাকার প্রতিটি খানা সম্পর্কে জানতে পারবে, তাদের সমস্যা চিহ্নিত করতে পারবে। ফলে ওই এলাকার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও আইনী সেবা প্রদান করা সহজ হবে।

বর্তমান কল্যাণ ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে চাকরিরত অবস্থায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের আধুনিকায়ন করা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ের হাসপাতালগুলো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। জেলা হাসপাতাল আধুনিকায়নের আওতায় আনা হচ্ছে। আটটি বিভাগে ক্যাডেট কলেজের আদলে উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হবে।

ড. আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে ধনী দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করছেন। উন্নত দেশের উপযোগী পুলিশ হওয়ার জন্য নিজেদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে হবে। নিজের টার্গেট সেট করতে হবে। অধঃস্তনদেরকে তৈরি করতে হবে। সংগঠনকে ভালোবাসতে হবে,  সম্মান নিয়ে চাকরি করতে হবে।
আইজিপি বলেন, আমরা প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলবো।  ফলে পুলিশের কাজে স্বচ্ছতা আসবে, দুর্নীতি কমবে। মানুষ সহজে পুলিশের সেবা পাবে।

আইজিপি বলেন,  ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু পুলিশকে জনবান্ধব, মানবিক পুলিশ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাশার পুলিশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে গড়ে তোলার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

রেঞ্জাধীন জেলার পুলিশ সুপারগণ বিভিন্ন বিষয়ে পুলিশ প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আইজিপি এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এর আগে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) রেঞ্জের অপরাধ পরিস্থিতি, বিশেষ উদ্যোগ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, পাসপোর্ট তদন্ত,  পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, মাদক মামলা, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি বিষয় আইজিপির সামনে তুলে ধরেন।

আইজিপি ঢাকা রেঞ্জের ই‌নো‌ভে‌টিভ ও বিশেষ উদ্যোগের  ভূয়সী প্রশংসা করেন।

আইজিপি, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণকে উপজীব্য করে রেঞ্জ চত্বরে নির্মিত ‘মুক্তির মহাকাব্য’ ম্যুরাল উদ্বোধন করেন। তিনি ঢাকা রেঞ্জে স্থাপিত আধুনিক অপারেশন্স কন্ট্রোল রুম এন্ড মনিটরিং সেন্টার উদ্বোধন করেন। পুলিশি সেবা দ্রুত জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে  রেঞ্জের ১৩টি জেলার ৯৬টি থানাকে এ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে থানার ডিউটি অফিসার, হাজতখানা ও সেন্ট্রি বক্সের কার্যক্রম সি‌সি‌টি‌ভির মাধ্য‌মে সরাসরি মনিটর করা যাবে। ‌রেঞ্জ ডিআই‌জি কার্যাল‌য়ের একজন অ‌তি ডিআই‌জি’র নেতৃ‌ত্বে প‌রিচা‌লিত হ‌বে এই ক‌ন্ট্রোল রুম।

শীতে শিশুর যত্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : শীত মৌসুমে কিভাবে শিশুর যত্ন নিবেন অনেকেই তা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না। আমরা আপনাকে দিচ্ছি কিছু এক্সপার্ট পরামর্শ যা আপনার শিশুকে এই ঠাণ্ডা আবহাওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে এবং আপনাদের দু’জনকেই রাখবে নিশ্চিন্ত।

বুকের দুধ খাওয়ানো :  আপনার শিশুর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল তাকে বুকের দুধ খাওয়ানো। যেসব শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো হয় না তাদের আলাদা বাটি বা পাত্রে আলাদা খাবার দেয়া হয়ে থাকে।এতে করে জীবাণুর সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে এই ব্যাপারে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা যায়। 

টিকা দেয়া : টিকা দেবার সময়গুলো সঠিকভাবে মেনে চলার চেষ্টা করুন। এই ব্যাপারটি শিশুর স্বাস্থ্যের ব্যাপারে অনেক বড় ভূমিকা রাখে এবং বেশ কিছু মারাত্মক অসুখের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। যদি কোনোকারণে কোন একটি ডোজ মিস হয়ে থাকে, তবে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন এবং যত দ্রুত সম্ভব দেয়ার ব্যাবস্থা করুন।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা :  শীতকাল সাথে করে নিয়ে আসে ফ্লু এবং ঠাণ্ডা লাগার বাড়তি ঝুঁকি। শিশুকে খাওয়ানোর আগে, কোলে নেয়ার আগে এমনকি আদর করার পূর্বে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যাবহার করুন। যেন আপনার মাধ্যমে শিশু কোনো জীবাণুর সংস্পর্শে না আসে। শিশুর বিছানার চাদর এবং কাঁথা প্রতিদিন বদলাবার কথা মনে রাখবেন, এতে শিশুও থাকবে স্বস্তিতে।

উষ্ণতা :  আরামদায়ক গরম একটি পরিবেশ আপনার শিশুকে হাসিখুশি এবং আরামে রাখবে। আপনার শিশু উষ্ণতা অনুভব করবে এরকম একটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। যেসব দরজা-জানালা দিয়ে শিশুর ঘরে ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকতে পারে সেগুলো সব বন্ধ রাখুন, কিন্তু আলো-বাতাস চলাচলের জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা রাখুন। একইসাথে শুষ্কতা এবং ত্বক ফেটে যাওয়া এড়াতে সঠিক পরিমাণের আর্দ্রতা বজায় রাখুন।

পোশাক : আপনার শিশুর গায়ের পোশাকটি তার অনুভূতি এবং ব্যবহারের উপর প্রভাব ফেলে। আরামদায়ক গরম পোশাক আপনার বাবুকে ভালোভাবে ঘুমাতে সাহায্য করবে এবং এতে সে আরো আরাম অনুভব করবে। আবার মনে রাখবেন যে আপনি বাসার তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করছেন, তাই ভারী এবং আঁটসাঁট কাপড় ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। শীতের পোশাক বাছাই করার সময় খেয়াল রাখবেন তা যেন আরামদায়ক এবং নরম কাপড়ের হয়।

ম্যাসাজিং : আপনার বাবুকে প্রতিদিন একটি আরামদায়ক উষ্ণ ওয়েল ম্যাসাজ দিলে এটি তার শরীরের জন্য ভাল হবে। তেল এবং ময়েসচারাইজার শিশুকে রাখবে নরম এবং প্রাণবন্ত। যদিও শিশুদের যত্নের জন্য অনেক পণ্যই বাজারে রয়েছে তবে বাছাই করার ক্ষেত্রে  আপনার ডাক্তারের পরামর্শমত একটি বা দু’টি বেছে নিন।

আর এভাবেই এই ছোট্ট টিপসগুলো মনে রেখে আপনার শিশুর সাথে প্রথম শীতকালটি উপভোগ করুন নিশ্চিন্তে ।