×

জয়পুরহাট সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, আটক-১

মোঃ বাবুল হোসেন, পাঁচবিবি (জয়পুরহাট): জয়পুরহাট ২০ ব্যাটালিয়নের অধীন সামীন্ত এলাকায় চলমান মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ভারতীয় ফেন্সিডিল ও শাড়ী উদ্ধার করেছে বিজিবি সদস্যরা।

বিজিবিসুত্র জানায়, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মুহম্মদ ফেরদৌস হাসান টিটোর দিক নির্দেশনায় সীমান্তের বাসুদেবপুর, হিলি সিপি, ঘাসুরিয়া, দাউদপুর ও হাটখোলা বিওপি ফাঁড়ির বিজিবি সদস্যরা মঙ্গলবার (২৫ শে জানুয়ারী সোমবার দিবাগত রাতে) সীমান্তে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৩৭১ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, বোতল ভারতীয় মদ, ১৮পিচ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটসহ ৫২পিচ শাড়ী উদ্ধার করে। এসময় মাদক চোরাকারী দলের সদস্য দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের আলম হোসেনের পুত্র জিসান হোসেন(১৩) কে আটক করে। আটক আসামীকে মাদকদ্রব্য আইনে হাকিমপুর থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মুহম্মদ ফেরদৌস হাসান টিটো জানান, অভিযানের সময় চোরাকারবারীরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে অনুসন্ধানে ঘটনার সাথে জড়িতদের নাম ঠিকানা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

গাজীপুরে এসএসসি-৯৮ ব্যাচের মিলনমেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, টঙ্গী : গাজীপুরে এসএসসি-৯৮ ব্যাচের মিলনমেলা শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাজীপুর চৌরাস্তা শাপলা ম্যানশন পার্টি সেন্টারে পুরোনো সব বন্ধুদের আড্ডা ও মিলন মেলায় হল রুম মুখরিত হয়ে উঠে। আড্ডা শেষে নৈশভোজ ও মনোজ্ঞ সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।


অনুষ্ঠানে উক্ত ব্যাচের বন্ধু টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ্ আলম, গাজীপুর সিটি করপোরেশন ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল মোঃ আব্বাস উদ্দিন, সাংবাদিক মাকসুদ আহমাদ রবিন, আনোয়ার হোসেন, জহির রেজা, শাকিল ঢালি, মোয়াজ্জেম সোহাগ, জহুরা মুনমুন, জসিম উদ্দিন, নাজমুল খান, সাজেদুল ইসলাম সুরুজ, শাহ আলম রামগঞ্জসহ আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

টঙ্গীতে বেদে পল্লীতে কম্বল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, টঙ্গী : টঙ্গীতে গরীব ও দুঃস্থ বেদে সম্প্রদায়ের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে “নিজের বলার মত গল্প” নামের একটি মানবিক সংগঠনের উদ্যোগে প্রায় ২৫০টি পরিবারের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ্ আলম। কম্বল বিতরণকালে তিনি বলেন, “নিজের বলার মত গল্প” সংগঠনের পক্ষ থেকে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আমি তাদেরকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। এটি নি:সন্দেহে একটি ভালো কাজ।

ভালোমনের মানুষেরাই এসব কাজে এগিয়ে আসেন। আমি আশা করছি তাদের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবিরও আমাদের জবাবদিহীতার আওতায় থেকে এসব সেবামূলক কাজ করার জন্য সব সময়ই উৎসাহ দিয়ে থাকেন। আমাদের সকলকেই এধরনের জনসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসতে হবে। এ সময় “নিজের বলার মত গল্প” সংগঠনের নেতাকর্মীরা ও বেদে পল্লীর লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বলেছেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন।

তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনী সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, মাদক, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

রোববার প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি রাজশাহীর সারদা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৭তম বিসিএসের (পুলিশ ক্যাডার) প্রশিক্ষণ সমাপ্তির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে জনগণের শান্তি ও সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা, জনগণের সেবা করা এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা আমাদের বেশি প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে তিনি পুলিশ সদস্যদের জনগণের আস্থা, বিশ্বাস এবং ভালোবাসা অর্জন করতে বলেন।

যদি আপনি জনগণের ভালোবাসা, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারেন তবে পুলিশ বাহিনীর সংখ্যা কোনো বিষয় নয়। জনগণের সহায়তায় যে কোনো ধরনের অপরাধ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। আপনাদের সেভাবে প্রস্তুত হতে হবে এবং আমরা তাই চাই-যোগ করেন তিনি।

সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার কথা বলতে গিয়ে তিনি পুলিশ বাহিনীকে তা দমন করতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থ পাচার, সাইবার অপরাধ ও মানবপাচার বৈশ্বিক সমস্যা এবং এগুলো থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে হবে।

তিনি পুলিশ সদস্যদের বলেন, এগুলো আরও দক্ষতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

শেখ হাসিনা বাহিনীর সদস্যদের চিকিৎসার জন্য পৃথক মেডিকেল ইউনিট প্রতিষ্ঠার উপর জোর দেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার ঢাকার বাইরে বিশেষত বিভাগীয় সদর দপ্তরে পুলিশ হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়ন ও উন্নত করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে।

২০০৯ সাল থেকে পুলিশ বাহিনীর উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে এই বাহিনীর জন্য বাজেট ছিল ৩ হাজার কোটি টাকা, তবে ২০২০-২১ অর্থবছরে এটি বাড়িয়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও দমন করতে সরকার বিভিন্ন ধরনের ইউনিট গঠন করেছে। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমন করতে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) গঠন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন ও পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ বক্তব্য প্রদান করেন।

এর আগে আসাদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ভালো ফলাফলের জন্য ক্যাডেটদের মাঝে বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণ করেন।

গণতন্ত্রের বিজয় দিবসে “স্বপ্নের বাগেরহাট” গড়ার প্রত্যয়ে শেখ তন্ময়

আহসান টিটু, বাগেরহাট : গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উপলক্ষে শনিবার (০২ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ফকিরহাট উপজেলার খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের কাটাখালি ট্রাফিক মোড়ে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময় বলেছেন, বাগেরহাট একটি সম্ভাবনাময় জেলা। আমরা এই জেলাকে একটি সম্মৃদ্ধ জেলায় রূপান্তর করতে চাই।

সুখী সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যা যা করা প্রয়োজন আমরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে তাই করব।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়।

দলীয় টেন্ডারবাজ ও চাঁদাবাজদের হুঁশিয়ার করে শেখ তন্ময় বলেন, বাগেরহাটে কোনো টেন্ডারবাজের জায়গা হবে না।

বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন-বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ভুইয়া হেমায়তে উদ্দিন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার অধিকারি, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম সাহেব, মনোয়ার হোসেন টগর, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ফজলে সাইদ ডাবলু, নকিব নজিবুল হক নজু, অর্থ সম্পাদক তালুকদার আব্দুল বাকি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, ফকিরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ, কচুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করলেন ইউপি সদস্য!

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর :  কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মিজানুর রহমান। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরলরেন্স ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে।


লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে- চর লরেন্স ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার প্রবাসী মোসলেহ উদ্দিনের স্ত্রী ছকিনা বেগমকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে সায় না পেয়ে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে মিজান। তাতেও চাঁদা না পেয়ে ও কুপ্রস্তবে ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় চৌকিদার তাজুল ইসলামকে দিয়ে পাশের বাড়ির হাজী আলাউদ্দিনের গরুর খামারের কাজের ছেলে বেল্লালের সাথে মিথ্যা গুজব রটিয়ে ছকিনা বেগমকে রাত নয়টার দিকে নিয়ে বেদম মারধর করে ও বেঁধে রাখে। শারীরিক  নির্যাতন করাসহ স্পর্শকাতর স্থানসমূহে অবর্ণনীয় বর্ববর নির্যাতন ও মারধোর করে। পরদিন ভোর বেলায় মামলা-মোকদ্দমা না করার শর্তে মিজান মেম্বার সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে বাঁধন খুলে দিলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহত ও নির্যাতিত ছকিনা বেগমকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। 
ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ও দাবীকৃত চাঁদা না পেয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় ওই নারীকে পেটানোর বিচার চেয়ে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন ওই নারী।
ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খোলার সাহস করে না। এমনকি নির্যাতিত ওই নারীও অভিযোগ দায়ের করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানা গেছে। মিজানুর রহমান এতটাই কুপ্রভাব বিস্তারী করেন যে- মারধোর খেয়ে, বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়েও বিচার প্রত্যাশা করা দূরে থাক ভয়ে মুখ খোলার সাহস করে না কেউ।
অভিযোগের আলোকে মিজানুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে ও মোবাইল ফোনে একাধিক কল করেও তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।


জেলা গোয়েন্দা সংস্থার ওসি ফজলুল করিম জানান- ওই নারী পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। সে বিষয়ে ইউপি সদস্য মিজানকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।
অভিযোগ সূত্রে ও নির্যাতিত নারী জানান- শুক্রবার রাত ৯টার দিকে প্রবাসীর স্ত্রী তার বোনের বাড়ি থেকে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়ীর দিকে যাচ্ছিলেন। বাড়ির পাশের আলাউদ্দিনের প্রজেক্ট এর সামনে এলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎপেতে থাকা লিটন ও কামালসহ কয়েকজন যুবক মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ওই নারীর প্রতিরোধ করে। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজান ও চৌকিদার তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক উপস্থিত হয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বেদম প্রহার করেন ও সারারাত বেঁধে রাখেন।
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (বিএইচআরসি) লক্ষ্মীপুর জেলার সভাপতি শামসুল করিম খোকন উক্ত ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ও তীব্র নিন্দা জানান। একই সাথে কেনো নারী নির্যাতনকারী আসামীকে আটক বা গ্রেপ্তার দেখানো হলো না সে বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। 
কমলনগর উপজেলা বিএইচআরসির সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট সোলায়মান চৌধুরী নারী নির্যাতন ও বেঁধে রাখার ঘটনায় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করে তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

সাংবাদিক প্রদীপ অধিকারীর ভাইয়ের পরোলক গমন

মোঃ বাবুল হোসেন, পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) :
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও দৈনিক ডেল্টা টাইমস পত্রিকার পাঁচবিবি উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক প্রদীপ অধিকারীর বড় ভাই শ্বমরেশ অধিকারী শম্ভু (৬৫) রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় উপজেলার বাগজানাস্থ নিজ বাস ভবনে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পরোলক গমন করেছেন।

মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুনাগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে পাঁচবিবি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও হিলি নিউজ২৪ এর সম্পাদক অধ্যাপক আজাদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাকের উপজেলা সংবাদাতা দিলদার হোসেন, পৌর প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক আহসান হাবিব, সহ-সভাপতি সাজেদুল ইসলাম টিটু, সহ-সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন, পাঁচবিবি প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক প্রদীপ অধিকারী, সাখোয়াৎ হোসেন বিদেহী আতœার শান্তি কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

দরকার সাবধানতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : সদ্যোজাত শিশুটির জন্মের খবরে পরিবারের মানুষ তখন সবে মিষ্টি বিতরণ শুরু করেছেন। এমন সময়েই চিন্তার মেঘ ঘনিয়ে আসে। জানা যায়, ক’দিনের একরত্তির জন্ডিস হয়েছে। এই ‘নিয়োনেটাল জন্ডিস’ বহু শিশুরই হয়, তারা সেরে উঠে বাড়িও চলে আসে। তবে ওইটুকু শিশুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নরম, অপরিণত, সংবেদনশীল। তাই, নিয়োনেটাল জন্ডিস ঠিক সময়ে ধরা না পড়লে বা বাড়াবাড়ি হলে কিছু দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। অসুখটির কারণ, রোগলক্ষণ চেনার উপায়, চিকিৎসা ও সাবধানতা বিষয়ে বুঝিয়ে দিলেন শিশু চিকিৎসক ডা. অপূর্ব ঘোষ।

কেন হয় এই জন্ডিস : গর্ভে থাকাকালীন মায়ের ধমনী থেকে রক্ত পায় সন্তান। তাই শিশুর অক্সিজেন স্যাচুরেশন এ সময় কম থাকে। লোহিত রক্তকণিকা থাকে বেশি। কিন্তু জন্মের পর যখন নিজের ফুসফুস মারফত নিঃশ্বাস নিতে শুরু করে, তখন স্বাভাবিক ভাবেই ওর অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে। তখন আর অত লোহিত রক্তকণিকারও দরকার পড়ে না। ফলে ওই রক্তকণাগুলো ভেঙে যায়। সেই কণা ভেঙেই বিলিরুবিন তৈরি হয়। শিশুটির অপরিণত যকৃৎ ওই বিলিরুবিন বার করে দিতে পারে না। ফলে শরীরে বিলিরুবিন জমে জন্ডিস দেখা দেয়। এটি খুব স্বাভাবিক ঘটনা। তবে প্রি-ম্যাচিয়োর শিশু যার যকৃৎ বেশ অপরিণত, তার ক্ষেত্রে বা যে শিশু স্তন্যপান করছে তার ক্ষেত্রেও জন্ডিসটা একটু বেড়ে যায়।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে রক্তের সমস্যার জন্যও নিয়োনেটাল জন্ডিস হয়। মা আর সন্তানের রক্তের গ্রুপ আলাদা হলে এমন হতে পারে। মায়ের রক্ত যদি ‘ও’ গ্রুপের হয়, আর বাচ্চার রক্ত ‘এ’ বা ‘বি’ গ্রপের হয় কিংবা মায়ের যদি আরএইচ নেগেটিভ হয় আর বাচ্চার যদি আরএইচ পজ়িটিভ হয়, তখনও বাচ্চার জন্ডিস হয়।

মাতৃগর্ভে থাকাকালীন অথবা জন্মের সময়ের কোনও সংক্রমণের জন্যও সদ্যোজাতের জন্ডিস হতে পারে। চিকিৎসকেরা এগুলিকে টর্চ ভাইরাস বলে চিহ্নিত করেন। রুবেলা, সাইটোমেগালো ভাইরাস, হারপিস সিম্পলেক্স, কনজেনিটাল সিফিলিস (এটি এখন কমে গিয়েছে) এই জন্ডিসের জন্য দায়ী। প্যারোসিনিমিয়া, গ্যালাক্টোসিমিয়া, সিস্টিক ফাইব্রোসিস ইত্যাদি মেটাবলিজ়ম সংক্রান্ত জন্মগত ত্রুটির জন্যও জন্ডিস হয়।

কখন এটি বিপজ্জনক  : দুই-তিনটা পরিস্থিতি নিয়ে চিকিৎসকেরা বেশি চিন্তায় থাকেন। যকৃৎ থেকে অন্ত্রে যাওয়ার পথটি যদি জন্ম থেকেই বন্ধ থাকে, তা হলেও সদ্যোজাতের জন্ডিস হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি এই রোগটি চিহ্নিত করে অস্ত্রোপচার করতে হয়।

আবার অনেক সময়ে জন্মগত ভাবে থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে জন্ডিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিছু শিশুর আবার মায়ের দুধ বা গরুর দুধ… কোনও দুধই সহ্য হয় না। সেটাও জন্ডিস হিসেবে দেখা দেয়। একে বলে গ্যালাক্টোসিমিয়া। তবে এটি খুবই বিরল ঘটনা। দেখা গিয়েছে ৪০,০০০-৬০,০০০-এ একটি বাচ্চার এই অসুখ হতে পারে। এই রোগ ধরতেও দেরি করা ঠিক নয়।

কতটা ভয়ের অসুখ : নিয়োনেটাল জন্ডিসের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা রোগীর মৃত্যু নিয়ে ভাবিত নন। তাঁদের চিন্তার কারণটা অন্য। জন্ডিস থাকে রক্তে। চিকিৎসকেরা লক্ষ রাখেন রোগটা যেন কোনও ভাবেই ‘ব্লাড-ব্রেন ব্যারিয়ার’ বা রক্ত আর মস্তিষ্কের মধ্যের বাধাটি না পেরোয়। অর্থাৎ রোগ যেন মাথায় উঠে না যায়। ব্রেনে জন্ডিস চলে গেলে মস্তিষ্কের কিছু ক্ষতি হতে পারে। ফলে কানে কম শোনা, ব্যালান্স হারিয়ে ফেলার মতো অসুবিধে দেখা দিতে পারে। ডা. ঘোষ বললেন, রোজ পরীক্ষা করলে অনেক সময়েই বাচ্চার মা-বাবা বিরক্ত হন। বলেন, এটুকু বাচ্চাকে খোঁচাখুঁচি করা কেন? আসলে চিকিৎসকদের জন্ডিস নিয়ে ভয় থাকে। আগেভাগেই জন্ডিস ধরে না ফেললে বাচ্চার মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। শিশুর জন্মের পর প্রথম সাত দিন এই ভয়টা বেশি। সাত দিন পরে ‘ব্লাড-ব্রেন ব্যারিয়ার’ পরিণত হয়ে যায়। বিপদ কমে।

চিকিৎসা ও সতর্কতা : নিয়োনেটাল জন্ডিস নিযন্ত্রণে চিকিৎসকেরা ফোটোথেরাপির সাহায্য নেন। রোগের প্রকৃতি অনুযায়ী মোটামুটি ৭২ ঘণ্টার পর শিশু সেরে উঠতে শুরু করে। রোগের বাড়াবাড়ি হলে রক্ত পাল্টানোর প্রয়োজন হয়। সাত দিন বয়সের পর বাচ্চার সহনশক্তি বাড়তে শুরু করলে আর নিয়োনেটাল জন্ডিস হয় না।

জন্মানোর পরে শিশুদের গায়ে লাল আভা থাকে। তাই জন্ডিস বুঝতে অসুবিধে হয়। তবে ওর চোখ দেখলে জন্ডিস চেনা যাবে। চামড়ায় বুড়ো আঙুল দিয়ে চাপ দিলে যদি হলদেটে ভাব দেখা দেয়, সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

শিশুর জন্মের পর যদি হাসপাতাল থেকে তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেয়, তবে বাড়িতেও জন্ডিস হতে পারে। আমেরিকায় আজকাল আগেভাগেই ডিসচার্জ করা হচ্ছে বলে সেখানে জন্ডিসের ফলে শিশুর মস্তিষ্কের ক্ষতি হওয়ার সমস্যাও বাড়ছে। এ দেশে সাধারণত শিশুজন্মের পর হাসপাতাল থেকে খুব তাড়াতাড়ি ছুটি দেওয়া হয় না। প্রসঙ্গত, ওজন কম থাকলেও বাচ্চার জন্ডিস সহ্য করার ক্ষমতা কম হয়। ডা. ঘোষের পরামর্শ, ডিসচার্জের সময়ে বিলিরুবিন পরীক্ষা করাতে দ্বিধা করা ঠিক নয়। পরবর্তী কয়েক দিন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা উচিত

শিক্ষা মন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সুস্থতায় দোয়া কামনা

মাহবুবুর রহমান জিলানী, টঙ্গী : টঙ্গীর ঐতিহ্য বাহী স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্টান টঙ্গীর সফি উদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ শিক্ষক পরিষদের উদ্যোগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ড. দীপু মনি ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি কোভিড-১৯ করোনা রোগে আক্রান্ত হয়ে হোম কোয়ান্টাইনে আছেন।

তাদের সুস্থতা কামনা করে বৃহস্পতিবার একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সফি উদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একাডেমির সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, মোঃ আব্দুল মতিন, শিক্ষক প্রতিনিধি মোস্তফা কামাল, ইলিয়াস উদ্দিন আকন্দ, সিনিয়র শিক্ষক জি এম ফারুক, সহকারী অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মোতালেব, ইয়াসমিন নাহার প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ডক্টর দীপু মনি ও গাজীপুরের গন মানুষের নয়নের মণি শিক্ষা বন্ধু যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি র সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে ফকিরহাটে সমাবেশ

আহসান টিটু, বাগেরহাট : কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার সরকারি কর্মকর্তারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা পালন করেছেন।

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে ফকিরহাট উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এ উপজেলায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা এই প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: তানভীর রহমানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন ফকিরহাট সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহিমা সুলতানা বুশরা, অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মো: খায়রুল আনাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: অসিম কুমার সমাদ্দার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ কুমার নন্দী, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: পুষ্পেন কুমার শিকদার, যুব উন্নয়ন অফিসার মো: আমজাদ হোসেন সরদার প্রমূখ।

এছাড়া, ফকিরহাট উপজেলায় কর্মরত সকল সরকারি দপ্তরের দপ্তর প্রধান ও প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

এসময় বক্তারা, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদ ও নিন্দা করেন। দেশে চলমান ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও ভাস্কর্য ভাঙার মতো এরূপ কার্যক্রম প্রতিরোধের ডাক দেন। ভাস্কর্য বিরোধীদের এসব অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানানো হয় প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে।