মোহাম্মদ আলম : যেন আর তর সইছে না। কখন স্কুলের আঙিনায় ছুটোছুটি হবে কচি কাঁচাদের। কতদিন স্কুলের ব্লাকবোর্ডে রেখাপাতা হয় না। আর শিক্ষকের হাতও নিস্পিস্ করছে প্রিয় শিক্ষার্থীর মাথায় হাত বুলাতে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা অভিভাবক সবার মাঝেই স্বস্তির সুবাতাস। অবশেষে দীর্ঘ করনাকালীন ছুটি শেষে খোলছে স্কুল কলেজ। শেষ মুুহুর্তের ঘষা মাজা চলছে স্কুল গুলোতে। কোন প্রকার ত্রুটি-বিচ্যুতি এড়াতে অনেক স্কুলে রাতেও চলছে তদারকি।
জানা গেছে, গাজীপুরে স্কুল কলেজ খোলার প্রস্তুতি বেশ জোড়েশোরেই চলছে। গাজীপুর, জয়দেবপুর, টঙ্গীর বিভিন্ন স্কুল কলেজ গত দুইদিন যাবৎ ধুয়ে মুছে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে। অধিকাংশ স্কুলের ক্লাশরুমে পানি দিয়ে ধুয়ে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ বা কোন প্রকার ঝুকি এড়াতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে স্কুলের চারপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রেক্ষিতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান সঠিকভাবে চলছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব রেবেকা সুলতানা। তিনি টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজ, শাহাজউদ্দিন সরকার বিদ্যা নিকেতন, সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যা নিকেতনসহ কয়েকটি স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শনে করেন।
টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজের প্রিন্সিপাল মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, জেলা শিক্ষা অফিসার তাদের স্কুল পরিদর্শন শেষে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ও কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ।
অপরদিকে, স্কুল খোলার খবরে শিক্ষার্থীদের চোখেও ঘুম নেই। বিশেষভাবে যারা নতুন ক্লাসে নতুন স্কুলে যাবে তাদের আনন্দ আরো বেশী। রাতেই ব্যাগে নতুন বই-খাতা গোছাতে ব্যস্ত। আর যারা ছুটিতে বিভিন্ন দিকে ছুটি-ছাটা কাটিয়েছে তারা সবাই নিজ নিজ নিড়ে ফিরেছে। ১২ সেপ্টেম্বর এই করোনাকালের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিন হিসাবে এইসব শিক্ষার্থীদের জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারন প্রথা ভেঙে এদিনই তারা প্রথম নতুন কøাসে প্রবেশ করার সুযোগ পেয়েছে।
