শতাব্দী আলম : বন্ধুসভা। উচ্চারন করতেই সহজ-সরল-সুখময় অনুভুতি হয়। বন্ধুসভা একটি সংগঠন। এর সাথে সম্পৃক্ত বন্ধুরাই এর প্রাণ। আগ্রহী সবাইকে অতি সহজেই আপন করে নেবার অদ্ভুত ক্ষমতা বন্ধুসভায়। যে কোন প্রকার প্রতিভা বিকাশে বন্ধুসভা অকৃপণ। আমার বন্ধু বন্ধুসভা।
একেবারে শুরুর দিকে নবাবগঞ্জ বন্ধু সভার সাথে আমি সম্পৃক্ত হই। সেবছরই মৌচাক স্কাউট জাম্বুরীতে ক্যাম্পিংএ যাবার সুযোগ হয়। মনের পর্দায় স্লাইডিং হচ্ছে। তাবুতে রাত কাটানো। সেই প্রথম এবং এখন পর্যন্ত শেষ। মঞ্চে পরিবেশনা, প্রতিযোগীতা, ক্যাম্প ফায়ার। প্রিয় লেখক আনিসুল হকের সাথে মেয়েদের ছবি এখনো স্মৃতি হিসেবে ফ্রেমে বাঁধানো।
ও হ্যাঁ ! আমার কাছে আরো একটি কারনে বিশেষ সেই স্মৃতি। কারন আমার দুই কন্যা আয়শা ও মনিকাকে সাথে নিয়েছিলাম। একই তাবুতে আমরা ৭/৮ জন ঘুমিয়েছি। মেয়েদেরও মনে সেই স্মৃতি এখনো অমলিন।
বন্ধুসভার সাথে থাকতে থাকতেই টঙ্গীতে প্রথম আলোর সাথে সাংবাদিকতা শুরু করি। সেই যে শুরু। সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি। যতই দিন যাচ্ছে বন্ধুসভার প্রাসঙ্গিকতা প্রবল হয়।
একজনের কথা না বললেই নয়। রওশন ভাই। দুঃখিত আমাদের বন্ধু। একদিন জানতে চাইলাম, ভাই ভাল কাজ করতে চাই। কি করা যায়? তিনি মুহুর্তেই উত্তর দিলেন, রাস্তায় যখনই কলার চোকলা দেখবা পরিস্কার করবা। হ্যাঁ রওশন ভাই। আমি এটা সব সময় করি। শুধু চোকলাই না । আমার আশপাশের ময়লা আবর্জনা আমি পরিস্কার করি। আমার বাসার সব কিছু নিয়মিত আমি পরিস্কার করি। প্রতি সপ্তাহে বাথরুম চার দেয়াল এবং বেসিনগুলোসহ পরিস্কার করি। ভাল কাজ করতে বন্ধুসভা থেকে অনুপ্রাণিত হই। বন্ধুসভার কাছে অনেক ঋনী। বন্ধুসভা আমার ভাল বন্ধু।
১১/১১/২০২০
