ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী: বাংলার নতুন বছরে পরিত্র রমজান এবং ১লা বৈশাখের মধ্যে ২য় ধাপ কেরানার ছোঁবলে সারাদেশের ন্যায় রাজশাহী শহর ও ৯টি উপজেলাকে নিস্তব্ধ ও নীরবতার জেলায় পরিনত করেছে। সকাল থেকেই পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের কর্তব্য পালনে একনিষ্ঠ ছিল। তবে শহর উন্নয়নে কাজ করছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদার বলেছেন, সিটি এলাকা ব্যাস্ত থাকার কারনে শহর উন্নয়নের কাজ করা সম্ভবপর হয়ে উঠেনা। বিধায় লকডাউনের মাঝে তারা শহরের মধ্যের কাজ গুলো একটু এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
পবিত্র রমজানে বাংলার ১৪২৮ সালের প্রথম দিন শুরু। আবার এই দিনেয়ে করোনার ২য় ছোঁবল (লকডাউন) এক অনাকাক্সিক্ষত অধ্যায়ের সূচনা। এই বাংলা মাস বিশেষ করে বাংলার মানুষ বাংলা সালকে নতুন রূপে দেখতে পেলনা। কিশোর ও তরুনদের মনে একটু ইমেজ থাকলেই তার বহিঃপ্রকাশ করতে পারছে না লকডাউনের কারনে। তবে যুবক. প্রবিণ ও বয়স্কদের মতে পরিত্র রমাজান দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলার নতুন বছর, আল্লাহ্ রহমতে আগামী দিনে বিশে^র মানুষ এই মহামারী রোগ থেকে আরোগ্য পাবে।
বুধবার সকালে রাজশাহী শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে রাজশাহী মহনগরীরর বিভিন্ন পয়েন্টের বাজার, ফুটপাত এবং অলি গলির ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনাকে সম্মান দিচ্ছে দেশের মানুষ। রাজশাহীর ৯টি উপজেলায় প্রয়োজনিও মুদি ও ঔষধের দোকান ব্যাতিত সকল প্রকার দোকান বন্ধ দেখা গেছে।
জেলা পুলিশ ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদের নিজ নিজ এলাকার কঠোর নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলা থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছে এমন ধরনে প্রাইভেট বাহন ও ঔষধ বহনকারী ট্রাক গুলো তাদের নিদৃষ্ট কারণ প্রমানের ক্ষেত্রে ছাড় পচ্ছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যাস্থা নিচ্ছেন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা গন।
