ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী
রাজশাহী চারঘাট উপজেলার পরানপুরে এক সুদ ব্যবসায়ীর বেড়াজালে স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। পরানপুরে নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধের অভয় আশ্রম গড়ে তুলেছে অভিযুক্ত লালচান। স্থানীয় প্রাশাসনের নেই জোরালো ভুমিকা।
সম্প্রতী চারঘাট ইউনিয়নের ৭ নং ওর্য়াড এর পরানপুর গ্রামের আজ্জলের ছেলে উজ্জল (২৭) এর স্ত্রীর সাথে সুদ-ব্যবসায়ী লালচানের অসামাজিক কাজের অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী উজ্জল অভিযোগ করে বলেন, লালচান সুদ ব্যবসা করে এলাকায় আদিপত্য বিস্তার করেছে। তার কোন অপরাধ বিরুদ্ধে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করতে পারছে না। গত শুক্রবার অনুমান রাত ১০টার সময় মায়েনসাহ এর ছেলে সুদ-ব্যবসায়ী লালচান উজ্জলের স্ত্রীরসাথে আপত্তিকর অবস্থায় উভয়কে আটক করে গ্রামের পাশর্^বর্তীরা। পরে ৭নং ওর্য়াড মেম্বার মতিউর রহমান ওই রাতের ঘটনার সিন্ধান্ত পরে নেয়া হবে বলে জানান।
অভিযুক্তের পিতা ময়েনসাহ ও চারঘাট ইউনিয়ন যুবলীগ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ওই ঘটনাকে তুচ্ছ বলে মন্তব্য করেছে। ৭নং ওর্য়াড মেম্বার মতিউর রহমান ও কোন সিন্ধান্ত দিতে পারেনি। মেম্বার এই প্রতিবেদককে বলেন, ওই রাতের ঘটনাটি তিনি মোবাইলের মাধ্যমে অবগত হয় এবং পরের দিন ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্ত আজ আবদি দুই পক্ষের কেউ কোন অভিযোগের সমাধান করার বিষয়ে কোন কথা বলেনি। ওই সময় উপজেলা ছাত্রলীহ সম্পাদক রায়হানুল হক রানা ঘটে যাওয়া ঘটনাটির তিব্র নিন্দা জানায়।
স্থানীয় বিশেষ সূত্র এবং অনুসন্ধানে জানাযায় প্রায় ৩ কোটি টাকার সুদের কারবার চলে পরানপুর বাজারে। দিন মুজুরসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ তার কাছে জিম্মি। যার কারনে লালচান অনেক অপরাধ করলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে সাহস পাচ্ছে না এমনটাই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী উজ্জল বলেন, সুদ ব্যবসায়ীর টাকার কাছে দলিয় নেতা কর্মী, মেম্বারসহ নানা পেশার মানুষ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে চাই না। যার কারনে উপজেলা পরিষদ ও থানায় অভিযোগ হচ্ছে না। সার্বিক বিষয়ে জানার পর ইউএনও সৈয়দা সামিরা প্রতিবেদক বলেন, কোন লিখিত অভিযোগ না পেলে প্রশাসনের কিছুই করার থাকে না।
