নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর : গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে পাষন্ড শিক্ষকের দ্বারা ২ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বলাৎকারের স্বীকার হয়েছেন। ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডে মাছিমপুর এলাকায় জামিয়া গাফুরিয়া মাখযানুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক মোঃ শাহ আলম সোমবার দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খবর পেয়ে সন্ধা ৭ টার পর জিএমপি পূর্ব থানা পুলিশ শিশু দুটিকে উদ্ধার করে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনা জানাজানি হলে শিক্ষক শাহ আলম পলায়ন করে। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।
ভুক্তভোগী শিশুর পিতা মোঃ সোহেল মিয়া এবং দেলোয়ার হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা। ওই শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসার নুরানী বিভাগের ছাত্র।
মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, আজ মঙ্গলবার দুপুরে তার পুত্র বলাৎকারের ঘটনা জানায়। একইদিন সোহেল মিয়ার ছেলেকেও ওই শিক্ষক বলাৎকার করে। ঘটনা জানাজানি হবার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকরা বিষয়টি অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করে। তাছাড়া হুজুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে আখেরাতে পাপের ভয় দেখিয়ে ভুক্তভুগি পিতা-মাতাকে মামলা করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে। পরে মামলার উদ্দেশ্যে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে আসে।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আব্দুর রশিদ মিয়া। বর্তমানে তার ছেলে মোতোয়াল্লী মোঃ মামুনুর রশিদের কাছে জানাতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তিনি নিয়মিত মাদ্রাসার খোঁজখবর রাখেন না। যখন যা প্রয়োজন শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে সহযোগীতা করেন।
জিএমপি টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাভেদ মাসুদ বলেন, ভুক্তভুগী শিশু দুইজনই ঘটনার সত্যতার বিবরণ দিয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
