×

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: মহান স্বাধিনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার এক ভার্চুয়ালি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গ্বয়েস্বর চন্দ্র রায়, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফজলুল হক মিলন সাংগঠনিক সম্পাদক ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশ জাতীয়তবাদীদল বিএনপি, বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হাফিজুর রহমান হাফিজ, বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, কে এম সাখাওয়াত হোসেন সহ সাধারন সম্পাক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মশিউর রহমান রনি সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, মোঃ রবিউল ইসলাম অমিত আহবায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা জেলা দক্ষিন, পারভেজ হাসান পাবেল সদস্য সচিব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা জেলা দক্ষিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রিয়াদ ইকবাল যুগ্মসাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,সভাপতিত্ব করেন পার্থদেব মন্ডল সহ সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

বাবু গয়েস্বর চন্দ্র রায় তার বক্তব্যে বলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের মহান স্বাধিনতার নায়ক , তিনি রনাঙ্গনে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার, যার জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না, তিনি বাংলাদেশ কে বিশ্বের মাঝে পরিচয় করিয়েছেন, তার অবদান এ জাতি কখনো ভুলবে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার তুলনা তিনি নিজেই, তিনি এদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। আজকে তার নামে এই অনির্বাচিত ভোটডাকাত সরকার মিথ্যাচার করে অথচ যারা মিথ্যাচার তারা স্বাধিনতা যুদ্ধের সময় কই ছিলেন?

মাত্র সারে তিন বছরে যে উন্নয়ন তিনি করছেন বাংলাদেশের জন্য অন্য কোন দল সে উন্নয়ন করতে পারে নাই। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধিনতার ঘোষনা দিয়েছেন সারা বিশ্বে তা রেকড আছে, কাজেই বাংলাদেশ মানেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ছাত্রদল কে জিয়াউর রহমানের আর্দশে আর্দশিত হয়ে এদেশের মেহনতি অসহায় মানুষের দাবী আদায়ে সাধারন মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং দেশনেত্রীর মুক্তির জন্য গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবাইকে এক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে ফজলুল হক মিলন বলেন মহান স্বাধিনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমনি একজন ব্যক্তি ছিলেন তিনি শুধুই বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেতেন এবং তিনি উন্নয়ন করেও ছিলেন। বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছিলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে শ্রমিক পাঠিয়ে এদেশের অর্থনীতির চাকা তিনিই সচল করেছেন, মধ্যপাচ্য সহ বিশ্বের সকল উন্নয়নশীল দেশে তিনি সফর করেছেন, বাংলাদেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কিভাবে তাদের ব্যবসা বানিজ্যে বাংলাদেশ কে এগিয়ে নেওয়া যায় এ নিয়ে কাজ করেছেন, তিনি এদেশে নিজে হাতে খাল খনন করেছেন, সকল শ্রেনীর মানুষের পাশে গিয়ে দারিয়েছেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে হাস মুরগি গবাদিপশু পালন করতে বলেছেন যাতে করে নিজেরাই নিজেদের কর্মসংস্থান করতে পারে, সবাই পেট ভরে খেয়ে বেচে থাকতে পারে।

জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, আজ বাংলাদেশে অনির্বাচিত ভোট বিহীন আওয়ামী সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উওম খেতাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে। জিয়াউর রহমান ই একজন ব্যক্তি ছিলেন তিনি মহান স্বাধিনতার ঘোষক, বীর উওম, রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার, জেট ফোরসের অধিনায়ক, তিনি ছাড়া বাংলাদেশে মহান স্বাধিনতা যুদ্ধে এতো গুলো উপাধি আওয়ামীলীগের কোন নেতার আছে?

আজ দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া কে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়া হয় না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে দেশনেত্রীর উপর এ অবিচার করা হচ্ছে। এই জুলুমবাজ সরকার বিরোধী দলের উপর অত্যাচার, গুম, খুন করেই যাচ্ছে। কাজেই ছাত্রদল কে রাজপথে নেমে এদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য দেশনেত্রীর মুক্তির দাবিতে সর্বাত্মক আন্দোলন গরে তুলতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এখানেই তার বক্তব্য শেষ করে