মো. ইমরান হোসেন, নবাবগঞ্জ : ঢাকার নবাবগঞ্জে নিখোঁজের ১৫ দিন পর কলেজ শিক্ষার্থী হৃদয় হোসেন (১৭) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ । সে শিকাড়ীপাড়া তোফাজ্জল হোসেন ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেনির শিক্ষার্থী।
হৃদয় ঘোষাইল গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।
গত ১৪ নভেম্বর সন্ধায় তাকে অপহরণ করা হয়। পরে তার মুক্তিপণ বাবদ মুঠোফোনে ৫ লাখ টাকা দাবি করে দূবৃত্তরা। পুলিশ শাওন মোল্লা (২০) নামের একজনকে আটক করেছে। সে আর ঘোষাইল গ্রামের সাইদুল মোল্লার ছেলে।
এ ব্যপারে হৃদয়ের মা ময়না বেগম বাদি হয়ে ২ জনকে আসামী করে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলার অপর আসামী একই গ্রামের সাহেদ মোল্লার ছেলে পারভেজ মোল্লা।
হৃদয়ের মা জানান, তার ছেলে হৃদয় হোসেন (১৭) ইং-১৪/১১/২০২০ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৫:০০ ঘকিকার সময় ঘুরার জন্য বাড়ি হইতে বের হয়। সবশেষ ০৭:০০ ঘটিকায় তার সাথে কথা হয় তখন সে ঘোষাইল বাজারেই ছিলো।
রাত ১০ টার দিকে ছেলের খালাতো ভাই নাহিদকে মেসেজ দিয়ে জানায় সে শিকারীপাড়া আছে। ঢাকা থেকে তাহার বন্ধুরা আসতেছে, তাদের সাথে সে বান্দুরা যাবে। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ।
২২ নভেম্বর তার (হৃদয়ের ) মার কাছে ছেলের মুক্তিপণের জন্য ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন। এর আগে ছেলের খাবার জন্য ১০ হাজার টাকা বিকাশ করেন।
প্রথমে বিকাশ নাম্বারের সূত্র ধরে দূর্বৃত্ত শাওনকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যে আজ হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করা হলো। একই গ্রামের মহিন ব্যাপারীর পরিত্যক্ত পুকুরে তার লাশ পাওয়া যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক মো. মহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রথমিকভাবে ধরনা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে হৃদয়কে হত্যা করা হয়েছে।
