ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী থেকে: রাজশাহী গোদাগাড়ি উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধাঁ দেওয়ায় এক সাংবাদিকের বাড়ি ভাংচুরসহ তার গর্ভবতী কণ্যার পেটে লাথি মেরেছে প্রতিপক্ষ। গোদাগাড়ি সার্কেল ও থানা পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী মোঃ পিয়ারুল ইসলাম একজন সাংবাদিক। সে ডেইলি ইনড্রাষ্টি পত্রিকার গোদাগাড়ি উপজেলা প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, গত শনিবার দুপুরে প্রতিপক্ষ গোদাগাড়ি মাদারপুর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে শহিদুল ও তোফায়েলসহ শাফিকুল, মফিজুল, বেলায়েত আলী, ইমনসহ অজ্ঞাত অনেকে সংবদ্ধ হয়ে সাংবাদিকের বাড়ি ভাংচুর করে। ওই সময় ভুক্তভোগীর গর্ভবতী কণ্যা ওই ঘটনাটি মোবাইলে রের্কড করতে লাগলে প্রতিপক্ষ শফিকুল ইসলাম তার পেটে লাথি মারে। বর্তমান ওই কন্যা চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানাযায়, গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এবং তার প্রতিপক্ষের বাড়ি। মূলত সরকারী খাস জমি ও মাদক সেবন ও বিক্রয় নিয়ে তাদের বিরোধ। স্ব-স্ব বাড়ির পাশে তারা ভোগ করছে সরকারী জমি। ওই জমি দখল করা নিয়ে তাদের দীর্ঘ দিনের দ্বন্দ্ব। তবে তরা সর্ম্পকে সবায় আত্মিয়। এবিষয়ে পিয়ারুল ইসলাম এই পত্রিকার সাংবাদিককে বলেন, অভিযুক্ত তোফায়েল ৪টি মাদক মামলার আসামী। সে মাদক বিক্রয় ও সেবনের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। অপরদিকে সাংবাদিকে স্ত্রী ফিরোজা অক্তার পপি (সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) বলেন, মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতিবাদ করার কারনে তাদেরকে প্রায় অত্যাচারের শিকার হতে হচ্ছে। গোদাগাড়ি মাদকের ছড়াছড়ি, বিশেষ করে নদীর তীরবর্তী মাদক প্রবন এলকা। তাদের প্রতিবেশি অনেকে এই মাদকের সাথে জড়িত। তবে এখন পর্যন্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেইনি থানা পুলিশ।
গোদাগাড়ি মডেল থানার ওসি খলিলুর রহমান পাটুয়ারী পত্রিকার প্রতিবেদক বলেন, বাড়ি ভাংচুরের ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। সঠিক প্রমানের সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। থানা পুলিশকে সত্য উৎঘটন করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান, গোদাগাড়ি সার্কেল সিনিয়র এএসপি আব্দুল রাজ্জাক। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানান, অপরাধীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
