×

কটিয়াদী পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রার্থী হামিদকে চায় জনতা

কটিয়াদী প্রতিনিধি :

পৌরবাসী আমাদের একটাই দাবি, হামিদ ভাইকে নৌকার কাণ্ডারি হিসেবে দেখতে চাই । নির্বাচনী খরচ আমরাই দেবো। এসব কথা বলেছেন কটিয়াদি পৌর এলাকার বাসিন্দা হাফিজুর রহমান।

অপর একজন বলেন, টাকাই যদি সব হতো তাহলে কটিয়াদী পৌরসভার মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে তার মতো বিত্তহীন হামিদ মোহাম্মদ জসিমের নামটি আজ শান্তিপ্রিয় পৌরবাসীর মুখে মুখে উচ্চারিত হতো না।

হামিদ বলেন, শুরুতেই মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে নানা অঙ্গনের আলোকিত প্রিয় জনদের সহযোগিতা এবং আমার শিক্ষা জীবনের বন্ধুদের অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস আমাদের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা। এর সঙ্গে পৌরবাসীর ভালোবাসা যোগ করেছে নতুন মাত্রা।
মূলত সততার শক্তিতেই আমাদের এগিয়ে চলা। বঙ্গবন্ধুর চেতনায় আজন্ম আপসহীন। অতীতে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে মৃত্যু ভয় তুচ্ছ করে বুক পেতে দাঁড়িয়েছি অপশক্তির বিরুদ্ধে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির সুবাদে ইতিহাসের অমর শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সঙ্গে গড়ে উঠে আত্মিক বন্ধুত্ব।১৯৯৪ সালে এরই বহিঃপ্রকাশ ঘটে রাসেলকে নিয়ে আমার লেখা প্রথম কিশোর উপন্যাস ‘এক রাতের বন্ধু শেখ রাসেল ‘ প্রকাশের মাধ্যমে। এতে আমি শেখ রাসেল হত্যাকান্ডকে মানবাধিকার লঙ্গনের ন্যাক্কার ঘটনা বলে খুনিদের প্রতি প্রচন্ড ঘৃণা প্রকাশ করেছি।
হামিদ বলেন, ১৯৯৭ সালে রাসেলকে নিয়ে আমার দ্বিতীয় কিশোর উপন্যাস ‘শেখ রাসেলের রক্তমাখা শার্ট ‘ প্রকাশিত হয়। বই দুটির সুবাদে জীবনে দু’বার প্রাণপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা আপার সান্নিধ্য পাওয়াটাকে অনুপম অর্জন বলেই মনে করি। দ্বিতীয় বার ১৯৯৮ সালে জীবনের চরম বৈরী সময়ে স্বয়ং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মমতাপূর্ণ আহবানেও কোনো সুযোগ সুবিধার কথা না বলে শুধু দোয়া নিয়ে ফিরে এসেছি। মানসবন্ধু রাসেলকে ভালোবাসার বিনিময়ে ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করিনি। তবে এর সুফলও পরম প্রভু আমাকে দিয়েছেন। চার বছরের ব্যবধানে আপন যোগ্যতায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছি বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহেনা সম্পাদিত সাপ্তাহিক বিচিত্রায়। প্রয়াত সাংবাদিক সাহিত্যিক ও সাংসদ বেবী মওদুদ, আমাদের প্রিয় বেবী আপার নেতৃত্বে ২০০২ সালের এপ্রিল থেকে বিচিত্রার শেষদিন পর্যন্ত ছিলাম। বেবী আপার স্নেহ সান্নিধ্য পেয়েছি আমৃত্যু।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আপার কারামুক্তির আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখার সৌভাগ্যের পথেই হাঁটছি অদ্যাবধি। পাশে পেয়েছি সময়ের আলোকিত মানুষ সুভাষ সিংহ রায়কে। সাংবাদিকতার সুবাদে আলোকিত সতীর্থদের পাশাপাশি দেশের নানা অঙ্গনের দিকপালদের স্নেহ ভালোবাসায় ধন্য হয়েছি। পাশাপাশি স্থানীয় অভিভাবক, সময়ের আলোকিত জননেতা নূর মোহাম্মদ এমপির আন্তরিক সহযোগিতা এবং সৎ ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা আমাদের স্বপ্নের পথ সুগম করেছে।
কটিয়াদী পৌরবাসীর সেবক হওয়ার আকুতি আমাদের আস্থার ঠিকানা জননেত্রী শেখ হাসিনার কানে পৌঁছবেই ইনশাল্লাহ। একারণেই আমাদের বিশ্বাস অর্থ নয়, ভালোবাসা সব পারে।
আমরা আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি সমুন্নত রেখে সুুন্দর আগামী বিনির্মাণে সদা সচেষ্ট থাকবো।
আমরা আধুনিক উন্নত কটিয়াদী পৌরসভা গড়তে চাই। তথাকথিত বিত্তবান ও জনবিচ্ছিন্ন নেতাদের খপ্পর থেকে আতঙ্কিত পৌরবাসীকে মুক্তি দিতে চাই। বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক চেতনার আওয়ামী লীগকে ভালোবাসার শক্তিতে বলীয়ান করে প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করতে চাই। পরম প্রভু সহায় হোন। আমাদের স্বপ্ন-প্রত্যাশার জয় হোক।