×

‘‘বনমালা এখন মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের গলার মালা’’

মোহাম্মদ আলম : বলছি গাজীপুর সিটির বনমালা-সুকুন্দিরবাগ সড়কের কথা। শত বছরের সমস্যা বহু প্রতিক্ষিত বনমালা-সুকুন্দিরবাগ রাস্তার প্রাথমিক কাজ সমাপ্তির পথে। ঈদের আগেই চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হবে। দীর্ঘ যুদ্ধ জয়ের পর যেমন একটি মাথার মুকুট বিজয়ের প্রতিক। এই রাস্তাটি গাজীপুর সিটিতে চলমান কর্মযুদ্ধে তেমনি উন্নয়নের প্রতিক। বিজয়ের প্রতিক। ‘‘বনমালা এখন মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের গলার মালা’’।

বনমালা-জয়দেবপুর সড়ক ঐতিহাসিক ভাবে গাজীপুরের ইতিহাসে চির স্মরণীয়। এই সড়কে জন্মেছেন স্বাধীনতার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধের মহানায়ক বীর মুক্তিযুদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক। বীর মুক্তিযুদ্ধা শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার। এইসব বীর সেনানীদের স্মৃতিবিজড়িত জন্মভিটায় যাতায়াতের এই পথ শুধুই পথ নয়। এ যেন ইতিহাসের আতুরঘরের হাতছানি। পরবর্তি প্রজন্ম যত বেশী বেশী এইসব বীর সেনানীদের জীবন ও কর্ম নিয়ে চর্চা করবে ততই সমৃদ্ধ হবে জীবন। তাই বনমালার সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা ইতিহাসের কাছাকাছি প্রজন্মকে পৌছে দিতে ভুমিকা রাখবে। এই কাজটি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে সম্পন্ন করলেন বর্তমান মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। সিটির উন্নয়ন চিত্র তিনি নিয়মিতই পরিদর্শন করেন। কিন্তু বনমালা-সুকুন্দিরবাগ সড়কের প্রতিটি ইঞ্চিতে মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের ছোয়া লেগেছে। ঐতিহ্যের হাতছানিতে তিনি সত্যিকারের ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। কেবল মাত্র স্বাধীনতা অর্জনই যুদ্ধের শেষ কথা নয়। দেশকে বাসযোগ্য হিসাবে গড়ে তুলাও যুদ্ধের অংশ। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে যুদ্ধ। কি সে রাজনীতি বা উন্নয়ন। ওইসব বীর সেনানীরা ৯ মাস যুদ্ধ করে যে স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলার জন্য প্রয়োজন স্বপ্নবাজ যুদ্ধা। জাহাঙ্গীর আলম সেই সোনালী প্রজন্মের বীর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের সোনার বাংলার প্রতিচ্ছবি সাজিয়ে তুলছেন এই ভাওয়াল জনপদে।

বঙ্গবন্ধু কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে চারাগাছ রোপণ করেছেন। সেই চারাগাছ উন্নয়নের ফুলে ফুলে সেজেছে। কয়েক গজের বনমালা-সুকুন্দিরবাগ সড়ক সংযোগ যেন সেই উন্নয়ন পুষ্পের যোগসুত্র। ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। এ মালা জনতার মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের প্রাপ্য। সত্যিকার অর্থেই বনমালা হবে জাহাঙ্গীর আলমের গলার মালা।