নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে ডুবে যাওয়া নৌকা উদ্ধার হয়নি ১৪ ঘণ্টা পরও। শুক্রবার বিকেল ৬টার দিকে বিজয়নগরের চম্পকনগর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরমুখী একটি যাত্রীবাহী নৌকা অনুমান এক-দেড়শো যাত্রী নিয়ে লইসকাবিলে ডুবে যায়। বালুভর্তি নৌকার সাথে ধাক্কা লেগে এ ঘটনা ঘটে। এরপর রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়। ধারণা করা হচ্ছে, নৌকার ভেতর আরো মরদেহ থাকতে পারে। কিন্তু আজ শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত নৌকা উদ্ধারে কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। তবে বিআইডব্লিউটিএ’র একটি ডুবুরি দল নৌকা ডুবে যাওয়ার স্থলে সকাল ৮টার পর কাজ শুরু করে।
জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন শুক্রবার রাতে জানান, নৌকাটি উল্টে যাওয়ায় এটি উদ্ধারে তার যন্ত্রের সহায়তা নেবেন। সেকারণে দিনের বেলা সেটি উদ্ধার করা হবে।
এদিকে শনিবার সকাল থেকে শত শত লোক ঘটনাস্থলে ভিড় জমিয়েছেন। তারা নৌকা উদ্ধার দেখার অপেক্ষা করছেন।
ওদিকে নৌ-দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ রাতেই তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান মরদেহগুলো স্বজনদের বুঝিয়ে দেন। এসময় তার সাথে জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান ছাড়াও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় মরদেহ পরিবহনের জন্যে স্বজনদের কাছে ২০ হাজার করে টাকা দেয়া হয়। এই নৌ-দুর্ঘটনায় রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়।
এদিকে নৌকাডুবির ঘটনায় মাঝিসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার চরইসলামপুর গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করে স্থানীয়রা। আটকরা হলেন- জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ষোলাবাড়ি এলাকার আবজল মিয়ার ছেলে ও ট্রলারের মাঝি জামির মিয়া (৩৫), মাঝির সহযোগী কাশেম মিয়ার ছেলে মো. খোকন (২২) ও মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মো. রাসেল (১৮)।
