স্পোর্টস ডেস্ক : কেকেআর হেড়েই চলেছে। সাকিব বিহীন ম্যারম্যারে কেকেআর। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে বসিয়ে রাখার মাশুল গুনছে কেকেআর বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সাকিবের পরিবতে নামা সুনিল নারাইন ফিরেছেন শুন্য রানে। আর এতেই ক্ষেপেছেন কেকেআর ভক্তরা। ৪ ম্যাচের তার রান ৮। বোলিংএ ও সাকিবের চাইতে ভাল করতে পারেননি।
পৃথ্বী শ নামের এক ঝড়ে রীতিমতো উড়ে গেল এউইন মরগানের কলকাতা। ৪১ বলে ৮২ রান করে ২১ বল হাতে রেখেই দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৭ উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন ভারতের ব্যাটসম্যান পৃথ্বী শ।
রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই কলকাতার বোলারদের ওপর চড়াও হন পৃথ্বী শ। ইনিংসের প্রথম বলটি ওয়াইড দেন কলকাতার পেসার শিবম মাভি। এরপর তাঁকে টানা ৬টি চার মারেন পৃথ্বী শ। অন্য প্রান্তে শিখর ধাওয়ান এদিন খেলেছেন ‘ধীর চলো নীতি’ মেনে! পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে দিল্লির রান যখন বিনা উইকেটে ৬৭, পৃথ্বী শর রান ১৬ বলে ৪৮, ধাওয়ান তখন ২০ বলে করেছেন ১৭ রান।
দুজনের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ধাওয়ানের আউটে। ৪৭ বলে ৪৬ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। আউট হওয়ার আগে উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৩২ রান। এর মধ্যে শয়ের রানই ৮২। শেষ ৪১ বলে ওই ৮২ রান করেই আউট হয়েছেন পৃথ্বী শ। তীব্র ঝোড়ো ইনিংসটিতে মেরেছেন ১১টি চার ও ৩টি ছয়।
এর আগে ঠিক বিপরীত ব্যাটিং করেছে কলকাতা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪৫ রান তুলতে পেরেছে তারা। ১০ ওভার শেষেও অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন হয়নি, ২ উইকেটে কলকাতার রান ৭৩। ১৫ ওভার শেষে তা আরও করুণ—৫ উইকেট হারিয়ে ৯৫ রান।
ভাগ্যিস খেলোয়াড়দের পোশাকটা রঙিন ছিল আর খেলা হচ্ছিল সাদা বলে। আর তা না হলে কলকাতার ইনিংসটাকে মাঝেমধ্যে কারও কারও কাছে ম্যাচটাকে টি–টোয়েন্টির বদলে ‘টেস্ট’ও মনে হতে পারত! এমন অবস্থার পরও নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে কলকাতা যে ৬ উইকেটে ১৫৪ রান তুলতে পেরেছে, এতে অবদান আন্দ্রে রাসেলের। ইনিংসের শেষ দিকে একটা ঝড় তুলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার। তাঁর সেই ঝড়েই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে কলকাতা।
তবে শেষ হাসি দিল্লি ক্যাপিটালসেরই। পৃত্বি’শ এর ঝড়ো ইনিংসে সহজ জয় পায় তারা।
