ইন্দুরকানী(পিরোজপুর)প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ৩টি ইউনিয়ন পরিষদের ভবন না থাকায় ও সচিব পদ শূন্য থাকায় সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে সাধারণ জনগন। নবগঠিত ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়ন ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে নেই ইউপি সচিব। দুর-দুরন্ত থেকে এসে নির্ধারিত স্থানে চেয়ারম্যান, মেম্বর ও সচিব না পেয়ে ফিরে যায় অনেকেই।
উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩টি ইউনিয়নেই ইউনিয়ন পরিষদ ভবন না থাকার কারনে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটি সম্পূর্ণ ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় সেখান থেকে পরিষদের কার্যক্রম সরিয়ে নিয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের ছোট্ট একটি কক্ষে পরিচালিত হচ্ছে পরিষদের সেবা কার্যক্রম। যেখানে চেয়ারম্যান, মেম্বরদের বসার কোন সু-ব্যবস্থা নেই। পত্তাশী ইউনিয়নের কার্যক্রম চলছে ধীর গতিতে। সেখানেও নেই নির্দিষ্ট কোন ভবন। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে চালাচ্ছেন পরিষদের কার্যক্রম। সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান ২ বছর যাবৎ একটি দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে সে চেয়ারম্যান হতে না পেরে সেই দোকান ঘরটি ভাড়া ছেড়ে দেয়। যার ফলে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ শাহীন হাওলাদার ও তার সদস্যরা স্থান না পেয়ে বাজারে রাস্তার উপরে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে প্রথম সভা করেন। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টি (জেপি)র ইউনিয়ন কার্যালয়ে বসে পরিষদের কার্যক্রম শুরু করেন।
বালিপাড়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিদের ভবন না থাকায় তারা বালিপাড়া বাজারের ভিতরে একটি পাবলিক হেলথ ক্লাবে বসে পরিষদের কার্যক্রম চালাচ্ছে।
ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ করিম তালুকদার জানান, ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটি দীর্ঘবছরের পুরাতন হওয়ায় বিভিন্ন স্থান থেকে এতে ফাটল ধরেছে। ঐ ভবনে অফিসের কার্যক্রম চালানো ঝুকিপূর্ণ বিধায় অফিসের কার্যক্রম উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভবনে নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা লুৎফুন্নেসা খানম জানান, নবগঠিত ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে ভবন না থাকায় অফিসের কার্যক্রমে সমস্যা হচ্ছে। ভবন নির্মানের জন্য জমির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশাকরি শীঘ্রই ভবন নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং নবগঠিত ইউনিয়ন পরিষদের জন্য জনবলের সংকট নিরসনের জন্য চেষ্টা চলছে।
