×

যা খুশি পড়ুক, আসা-যাওয়ার মাঝে থাক

মোহাম্মদ আলম : ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে। শিক্ষা বছরের আর মাত্র ৪ মাস হাতে আছে। এই সময়ের মাঝে সারা বছরের চাপ নেয়া শিক্ষার্থীদের জন্য দূঢ়হ। তাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিক্ষক, অভিভাবক সবারই উচিত সেদিকে লক্ষ্য রাখা। এ’কদিন যা খুশি পড়ুক। ঘাটতি পুরন করতে গিয়ে যেন কোনভাবেই শিক্ষার্থীরা অথৈ সাগরে না ভাসে। একাডেমিক পড়া মানেইতো সব না।

আমাদের দেশের অভিভাবকরা একাডেমিক সাফল্যের ব্যপারে বড় বেশী খুত্খুত্।ে আমরা শুনেছি, অমুকে প্রথম শ্রেনীতে প্রথম তমুকে স্টার মার্কস বা টেলেন্টপুল। আর বর্তমান প্রজন্ম জিপিএ-৫, গোল্ডেন জিপিএ ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত। যে কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অভিভাবকদের মাঝে একধরনের চাপা উত্তেজনা। আহা! জিপিএ মিছ হলো। এসব চিন্তা বাদ দেয়াই ভালো।

উচ্চ একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া মানেই সব না। সবার আগে প্রয়োজন মানুষের মত মানুষ হওয়া। পরিসংখ্যান হচ্ছে আমাদের মত দরীদ্র দেশে শিক্ষিত শ্রেনীর মাঝেই অনৈতিকতা এবং দেশ প্রেমের অভাব বেশী দেখা যায়। একজন কৃষক বা শ্রমিক নিজের কাজটা ঠিক মতো করছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বলছি না শিক্ষত শ্রেনীর অবদান নেই। আছে! তবে শিক্ষিতরা যা দিচ্ছে ঢের বেশী কুক্ষিগত করে। অপরদিকে কৃষক, তাতি মজুর শ্রেনী শুধুমাত্র রুটি-রুজিটুকুই ভোগ করার সুযোগ পায়।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত হবে শিক্ষার্থীদের ঘাড়ে কোন বুঝা না চাপিয়ে দেয়া। এ কথা স্বীকার করতেই হবে এই করোনাকালেও শিক্ষামন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারনে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেও শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত ছিলো। সুনিদ্দিষ্ট করে বলতে গেলে কর্তৃপক্ষের উচিত হবে সেইসব অনলাইন শিক্ষন বা অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া। এ’কদিন শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা যাওয়াটা করুক।