আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের কুন্দুজে থাকা জার্মান ঘাটি এখন তালেবানের দখলে। মিলিশিয়া বাহিনীটি কুন্দুজ দখলের পর গুঞ্জন উঠেছিল যে, জার্মানি হয়তো আবারও সেখানে সেনা পাঠাবে। তবে জার্মানি এবার স্পষ্ট করেই জানিয়েছে, আফগানিস্তানে সেনা পাঠানোর কোনো ইচ্ছাই তাদের নেই। দীর্ঘদিন কুন্দুজে জার্মান সেনাদের শক্ত ঘাটি ছিল। তবে দেশটি থেকে বিদেশি সেনাদের প্রত্যাহারের অংশ হিসেবে জুন মাসেই সেখান থেকে সকল জার্মান সেনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ডয়চে ভেলের খবরে জানানো হয়েছে, জার্মানি আবারও সেখানে সেনা পাঠাবে এমন দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি এক টুইট বার্তায় বলেন, আপাতত জার্মান সেনা ফেরত পাঠানোর প্রশ্ন নেই। তবে যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী আফগানিস্তান থেকে সৈন্য সরিয়ে নিয়েছে, তার সমালোচনা করেন তিনি।
উত্তর আফগানিস্তান থেকে রাজধানী কাবুল ঢুকতে কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কুন্দুজ।
এখানেই দীর্ঘ ১০ বছর জার্মান সেনার ঘাঁটি ছিল। গত দশ বছরে জার্মান সেনা এই অঞ্চল সম্পূর্ণ নিজেদের আধিপত্যে রেখেছিল। এখন কুন্দুজ দখল করা মানে কাবুলের পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে তালেবান। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, জার্মানি ফের কুন্দুজে সেনা পাঠাতে পারে। জার্মান সেনাদের ত্যাগের কথা স্বীকার করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীও। তিনি বলেন, কুন্দুজসহ গোটা আফগানিস্তান থেকে যে রিপোর্ট আসছে, তা দুঃখজনক। বহু জার্মান সেনা রক্ত দিয়ে কুন্দুজকে রক্ষা করেছিল। আমরা ওখানে অনেক লড়াই করেছি।
জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, তালেবানকে ধ্বংস করার জন্য আরো লম্বা সময়ের প্রয়োজন ছিল। বাস্তবে যে সময় পাওয়া যায়নি। ট্রাম্প যদি তালেবানের সঙ্গে সমঝোতা না করতেন, তাহলে পরিস্থিতি আজ এমন হতো না।
