নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: বাণিজ্যিক চুক্তির পাশাপাশি করোনা টিকার যৌথ উৎপাদন বিষয়ে চীনের সিনোফার্মের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এ তথ্য জানান। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের আগে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনের সিনোফার্মের কাছ থেকে টিকা কেনা শুরুর পর এক মাসে ৭০ লাখ টিকা পেয়েছি। এ মাসে আরও টিকা আসবে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। তিনি বাংলাদেশে নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকা সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের টিকার বিপুল চাহিদা রয়েছে।
ফলে বাংলাদেশকে বাড়তি টিকার চাহিদার বিষয়ে তাদের আগেভাগে জানাতে। আমরা তা-ই করেছি। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সিনোফার্মের টিকার যৌথ উৎপাদন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তুরস্কের সঙ্গে সিনোফার্মের যৌথ উৎপাদনের চুক্তি হয়েছে। চলতি মাসেই তারা উৎপাদনে যাচ্ছে। আরও অনেক দেশের সঙ্গে সিনোফার্মের চুক্তি হয়েছে। আমাদের সঙ্গেও খসড়া সমঝোতা চূড়ান্ত প্রায়। ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস যৌথ উৎপাদনের খসড়াটি তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। এই চুক্তি সইয়ের পর উৎপাদন শুরু করতে দুই মাসের মতো সময় লাগতে পারে বলে ধারণা দেন মন্ত্রী। এদিকে এক প্রশ্নের জবাবে রাশিয়ার টিকা স্পুটনিক ভি কেনার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের এখানে যেভাবে লকডাউন চলছে, অনেক অফিস বন্ধ, রাশিয়াতেও তাই। দেশটিতে করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে কর্মকর্তাদের অনেকে অফিস করছেন না। এ কারণে একটু সময় লাগছে। তবে তাড়াতাড়িই হবে বলে আশা করছি।
