নিজস্ব প্রতিবেদক: কঠোর বিধিনিষেধের ১১তম দিনে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে। প্রকাশ্যে এসব পরিবহন চলাচল করলেও তাদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্বে থাকা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
সোমবার ভোর থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দূরপাল্লার বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া দুপুর পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে কিছুক্ষণ পর পর গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা যায়।
সরেজমিনে সোমবার সকাল থেকে আশুলিয়ার জিরানী বাজার, শ্রীপুর বাস স্ট্যান্ড, বলিভদ্র বাজার, ইপিজেড ও বাইপাইল এলাকায় নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক হয়ে গণপরিবহন ঢাকামুখী চলাচল করতে দেখা গেছে। এ সময় চন্দ্রা থেকে ছেড়ে আসা স্থানীয় সাভার পরিবহন, ঠিকানা পরিবহন, মৌমিতা পরিবহন এবং দূরপাল্লার বাস আগমনি, দেশ ট্রাভেলস, হানিফ পরিবহনসহ বিভিন্ন পরিবহনের বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে এসব পরিবহনের চালক কিংবা সহকারীদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তারা এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তবে দূরপাল্লার এ সকল বাস উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে এসেছে বলে জানিয়েছে এসব বাসের কয়েকজন যাত্রী।
এদিকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জিরানী বাজার এলাকায় মৌমিতা পরিবহনে উঠেছে এক যাত্রী সাগর। তিনি যাবেন সাভারে। কথা হয় তার সাথে। তিনি জানান, শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়া শ্রমিকদের আনার জন্য গণপরিবহন চালু করা হয়। ওই সূত্র ধরেই আজও পরিবহন শ্রমিকরা গাড়ি নিয়ে বের হয়। তবে তিনি এগুলো বন্ধের জন্য প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি করেন।
বাইপাইলে কথা হয় ঠিকানা পরিবহনের এক যাত্রী আইরিনের সাথে। তিনি গ্রামীণ নিটওয়্যার নামের একটি কারখানায় চাকরি করেন। ঠিকানা বাসে তিনি উঠেছেন পল্লীবিদ্যুৎ থেকে। নামবেন চক্রবর্তীর আগে। রিকশায় ভাড়া বেশি তাই তিনি বাসে উঠেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে সাভার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ করিমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে নয়া দিগন্ত। তবে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সাভার ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ (অ্যাডমিন) আব্দুস সালামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাইপাইলে ট্রাফিক পুলিশ রয়েছে আপনারা সেখানে যোগাযোগ করেন।
