×

আর্থিক সংকটে কাজের ধীরগতিতে মহাসড়কে দুর্ভোগ : সেতু সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর: সেতু বিভাগের সচিব মো: আবু বকর ছিদ্দীক বলেছেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আর্থিক সংকটে থাকার কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিআরটি প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে হচ্ছে। আগামি তিনদিনের মধ্যে মহাসড়ক যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় লোকবল বাড়ানো হবে। আগামী তিনদিন পর আবার আসবো। সেদিন সড়কে যানবাহন চলাচলে আর কোনো সমস্যা হবে না।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা এবং বিআরটি প্রকল্পের কাজের ধীর গতির কারণে হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগ হচ্ছে। এবিষয় শনিবার দুপুরে খোজ নিতে বিআরটি প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন আসেন বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথের সেতু বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও সচিব মো: আবু বকর সিদ্দিক ও রোড ট্রান্সপোর্ট এবং হাইওয়ে ডিভিশেনের সচিব মো: নজরুল ইসলাম। মহাসড়কের গাজীপুর মহানগীর টঙ্গী চেরাগআলী এলাকায় খানাখন্দ রাস্তা পরিদর্শন শেষে সেতু বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক এ সব কথা বলেন। এসময় তাদের সাথে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমসহ বিআরটি প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দর সড়ক থেকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত নির্মাণ হচ্ছে দেশের প্রথম বিআরটি প্রজেক্টের কাজ। বিশাল এ কর্মযজ্ঞ শুরু আগে বিকল্প সড়কে ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও তা করা হয় নি। তাছাড়া নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক দফা সময় বাড়ানো হয়েছে প্রকল্পটির। যে কারনে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের ওপর উন্নয়ন প্রকল্প নেয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে মানুষ। উত্তরা আজমপুর থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত বিআরটিপ্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় মহাসড়কের উভয় পাশে খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পথ সময় সময় লাগছে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা।

এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মূলত গাজীপুর থেকে টঙ্গী ব্রীজ পর্যন্ত সড়ক খানাখন্দে ভরা। পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই সেইসঙ্গে উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। অধিকাংশ স্থানে সড়ক বিভাজন নেই। সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় যানবাহন আটকা পড়ছে। সীমিত জনবলে কোনভাবেই সড়কের এই অংশে যানজট নিরসন সম্ভবপর হয়ে উঠছে না। এই সড়কে কোন ধরনের শৃঙ্খলা নেই। কাজ চলমান থাকায় সড়ক সরু অন্যদিকে যানবাহনের চাপে ঘন্টার পর ঘন্টা দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।