তোফায়েল আহমেদ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দিলালপুর ইউনিয়নে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মুজিবুর মিয়া (৬৫) নামে একজন নিহত হয়েছে।
সোমবার (৭ জুন) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার দিলালপুর ইউনিয়নের বাহেরনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুজিবুর মিয়া একই গ্রামের মৃত শেখ আব্দুল মালেকের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিলালপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া ও একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন শাফি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী। সোমবার দুপুরে দু পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে বল্লমের আঘাতে মুজিবুর নামে একজন মারা যায়। এ সময় দুই পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছে। নিহত মুজিবুর শাফি পক্ষের ছিলেন বলে কিাধিক এলাকাবাসী জানান।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে দিলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া নোবেল জানান, রবিবার (৬ জুন) সকালে ৬নং বাহেরনগর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হালিম মিয়া সিলেট থেকে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব শত্রুতার জেরে নিহত মজিবুর রহমানের লোকজন হালিম মিয়ার উপর হামলা করে। পরবর্তীতে হালিম মিয়ার উপর হামলার জের ধরে আজ সোমবার সকালে হালিম মিয়ার লোকজন ও নিহত মজিবুর রহমানের লোকজনের মাঝে সংঘর্ষ বাঁধলে মজিবুর নিহত হন। এ ঘটনায় আমার কোন পক্ষ নাই। যেহেতু আমি জনপ্রতিনিধি, তাই সবাই আমার লোক। আর আমার নেতৃত্বে কোন হামলা হয়নি এবং আমি আজ কিশোরগঞ্জ ছিলাম।
অপরদিকে দিলালপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন শাফির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়ার লোকজন আজকের হামলা চালায়। এতে মজিবুর রহমান নামে একজন মারা যায় এবং আরো ৫ জন মুমূর্ষ অবস্থায় বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বাজিপুর থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু পক্ষের সংঘর্ষে মুজবুর রহমান নামে একজ ন নিহত হয়েছেন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যহত রয়েছে।
বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
