ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী: রাজশাহী চারঘাট প্রথম শ্রেনীর পৌর এলাকায় অবৈধ স্থাপনায় গড়ে উঠেছে মাদক সিন্ডিকেট। প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলার আড়ালে চলছে মাদক সেবন ও ব্যবসা। কোন এক অদৃশ্য শক্তির বলে এই সিন্ডিকেট র্দীঘ দিন ধরে চলমান আছে বলে দাবি করেছেন স্থানায়ী অনেক ব্যবসায়ী। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদাশিনতায় সরকার অনেক রাজস্ব হারাচ্ছে।
চারঘাট পৌরসভাকে দুটি অংশে বিভক্ত করেছে পদ্মা নদী। পৌরসভার ৯টি ওর্য়াডের মধ্যে ৫টি ওর্য়াড নদীর উত্তরে এবং বাকি ৩টি ওর্য়াড দক্ষিনে। পানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর অধীনস্থ স্লুইজ গেইট দুই প্রান্তের সংযোগ সেতু বা ব্রিজ। এই ব্রিজের তীরবর্তী এলকায় গড়ে উঠেছে অবৈধ্য প্রায় ৫০টি দোকান। তবে স্থানীয় কোন এক শুক্তির প্রভাবে জোড় দখল করে অনেকে ব্যবসা করে যাচ্ছে। ওই সকল অবৈধ স্থাপনার বৈধ্য মালিকের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অনুসন্ধানে জানাযায়, বর্তমান আ’লীগ অঙ্গ সংগঠনের মদদে অবৈধ্য স্থাপনা প্রতিষ্ঠা করে ব্যবসা চলছে। ওই সকল দেকানদারের সাথে কথা বলে জানাগেছে, তারা নেহাত গরীব মানুষ, তাদের পুঁজি বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম। তাই তারা পানি উন্নয়ন র্বোডের অধীনস্থ স্লুইজ গেটের তীরবর্তী পরিত্যক্ত এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা করে সংসার চালাচ্ছে। স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নিশ্চিত করে বলে, কিছু দোকানদারের অপরাধের বলি তারা কেন হবে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর সাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
তাদের দেয়া তথ্য মতে অপরাধীর সত্যতা প্রমান খুজতে গিয়ে জানাযায়, সজিব নামের এক দোকানদার মৈসুমি ফল ব্যবসায়ী। তবে সে দিনের বেলায় ফল ব্যবসায়ী হলেও রাতের বেলায় সে মাদক নিয়ে আসর বসায় তার দোকানের ভিতরে। রাত যত নির্যন হয়ে সজিবের সাথে বিভিন্ন বয়সের ছেলেরা মাদক সেবনের আসর তত জোড়ালো হয়, এই রকম তথ্য দিয়েছে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা (নাম না প্রকাশের সর্তে)। এই বিষয়ে সজিবের সাথে কথা বললে, সে দাবি করে বলে উপজেলা চেয়ারম্যন ও আ’লীগ সাধারন সম্পাদক ফকরুল ইসলাম তার চাচা। এছাড়া এই দোকান গুলো স্থাপন করতে পররাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী শাহরীয়ার আলম এমপি অনুমতি দিয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে পৌর মেয়র ও পৌর আ’লীগ সম্পাদক একরামুল হক এই পত্রিকাকে জানান, পানি উন্নয়ন র্বোডের স্লুইজ গেটের পাশে কিছু গরীব ও অসহায় মানুষ ছোট পরিষরে ব্যবসা করে বেচঁ আছে। একাধিক মাধ্যমে খবর পাওয়া গেছে, সজিব এক জন মাদক সেবী। সে কখন কি বলে তার কোন ভিত্তি নেই। তার অপরাধ প্রামান সাপেক্ষে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যথায় স্থানীয় তরুন ও যুবকরা নেশার জগতে নষ্ট হয়ে যাবে।
