মানুষকে ‘লকডাউন’ বিধি মানতেও সচেতন করতে হচ্ছে। জনসাধারণ সরকারের কোন নির্দেশই মানতে চায় না। ‘লকডাউন’ ঘোষণা হতেই পড়িমড়ি ছুটাছুটি শুরু হয়েছে। দেশের নাগরিকদের বুঝা উচিত পৃথিবীর কোন স্থানই করোনার প্রাদূর্ভাব থেকে মুক্ত নয়। কেন শহর থেকে গ্রাম বা গ্রাম থেকে শহরে যেতে হবে ? যে যেখানে আছি সেখানে অবস্থান করাই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে যেমন নিজের মঙ্গল তেমনি অন্যদের। পরিবারের কর্তা যিনি তারই প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে এটা বুঝা। তারপর অন্যদের বুঝানো। দল বেধে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আসা যাওয়া করলে আক্রান্ত হবার ঝুকি বাড়ে।
যাদের বিশেষ কোন কাজের প্রয়োজন তারা এখানে সেখানে যেতে দোষ নেই। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানা আবশ্যক। মাস্ক পরিধানে কোন অবহেলাই করা যাবে না। গণপরিবহনে দূরত্ব বজায় রেখে বসতে হবে। এক্ষেত্রে গাড়ির কন্ডাক্টর চাইবে নিজেদের মত বসাতে। জনসাধারণের উচিত নিজ দায়িত্বে সরকারি বিধি মেনে চলা। যত্রতত্র স্পর্শ থেকে বিরত থাকা উচিত। বাহিরের খাবার বর্জন করাই উত্তম। আরো একটি বিষয় সচেতনতা সৃষ্টির জন্য আসুন সবাই নিজের পাশের মানুষটিকে এটা বলার অভ্যাস গড়ি। মুখে মুখে সচেতনতার কথা বলতে বলতেই একদিন অভ্যাসে পরিণত হবে।
মানুষ হিসাবে আমাদের প্রথম এবং প্রধান কর্তব্য হচ্ছে সৃষ্টি জীবের কল্যাণ কামনা করা। তাই আশরাফুল মাখলুকাত মানুষের মঙ্গলের স্বার্থে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। আসুন লকডাউন বিধি মেনে নিজে সুস্থ্য থাকি। অন্যদের সুস্থ্য থাকতে সহায়তা করি।
